সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ২৮ ফুটবলারের তালিকা জমা দিলেন বাংলাদেশ কোচ ডুলি
আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে ২৮ জন ফুটবলারের নাম জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের হেড কোচ থমাস ডুলি। খেলোয়াড় তালিকা জমা দেওয়ার শেষ দিনেই তিনি এই তালিকা চূড়ান্ত করেছেন।
আগামী ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ৬টি দেশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ নিজেদের তালিকা জমা দিলেও সব দেশ সেই সময়সীমা মানতে পারেনি।
কয়েকটি দেশ খেলোয়াড়দের নাম জমা দিতে কয়েক দিন সময় চেয়েছে। তাদের অনুরোধে তালিকা জমা দেওয়ার সময়সীমা দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে অংশগ্রহণকারী সব দলের পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে।
সাধারণত এ ধরনের টুর্নামেন্টে প্রাথমিক তালিকা হয় ৩৫ জনের, আর টুর্নামেন্ট শুরুর এক দিন আগে দল চূড়ান্ত করা হয়। সাফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এটাই প্রচলিত নিয়ম। তবে এবার সাফ সেই রীতিতে কিছুটা ভিন্নতা এনেছে।
এবার সাফ ৫০ জনকে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দিয়েছে। সেই তালিকা থেকে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে ২৮ জনের নাম চূড়ান্ত করার নির্দেশনা ছিল। বাংলাদেশ সেই নির্দেশনা মেনেই সময়মতো তালিকা জমা দিয়েছে।
তবে এই পদ্ধতিতে একটি সীমাবদ্ধতাও তৈরি হয়েছে। অনুশীলনের সময় কোনো খেলোয়াড় চোটে পড়লে কিংবা কারও পারফরম্যান্সে ঘাটতি দেখা দিলে প্রয়োজনে খেলোয়াড় বদলের সুযোগ এবার সেভাবে থাকছে না, কারণ তালিকার বাইরে থেকে নতুন কাউকে নেওয়ার পথ প্রায় বন্ধ।
এ নিয়ে বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি বলেন, ‘এটা সাফের আইন। আমাদের কিছু করার নেই। আমাকে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে নাম দিতে বলেছে, আমি দিয়েছি।’ কোচের কথায় স্পষ্ট, নিয়ম মেনেই তিনি তালিকা দিয়েছেন, যদিও পদ্ধতিটি তাঁর জন্য খুব স্বস্তির নয়।
সামনের দিনগুলোতে ঘরোয়া ফুটবলেও ব্যস্ত সূচি রয়েছে। আগামীকাল রয়েছে ফেডারেশন কাপের ম্যাচ। এরপর আগামী শুক্র ও শনিবার লিগে আরও ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
সেই ম্যাচগুলোতেই জাতীয় দলের ফুটবলারদের অনেকে মাঠে নামবেন। সেখানে কেউ চোটে পড়লে কিংবা কারও পারফরম্যান্সে বড় হেরফের হলেও ২৮ জনের তালিকা থেকে পরিবর্তনের সুযোগ সেভাবে নেই—এটাই এখন বাংলাদেশ শিবিরের জন্য প্রধান দুশ্চিন্তার জায়গা।
সব মিলিয়ে তালিকা জমার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও প্রস্তুতির আসল পরীক্ষা এখনো বাকি। ৫ নভেম্বর টুর্নামেন্ট শুরুর আগ পর্যন্ত এই ২৮ জনকে নিয়েই পরিকল্পনা সাজাতে হবে কোচ ডুলিকে, আর চোটমুক্ত থেকে ফুটবলারদের মাঠে নামাটাই হবে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।






