বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
সর্বশেষ হালনাগাদ:
প্রচ্ছদ › ভ্রমণ › খবর
বিজ্ঞাপন
এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিনবড়লেখা টুডে — বড়লেখা-সিলেট ও প্রবাসের নিয়মিত পাঠকের কাছে আপনার ব্যবসাকে পৌঁছে দিনবিজ্ঞাপনের তথ্য →
ভ্রমণ

জানেন কি ‘বাঘের রাজধানী’ কোন শহর? নাগপুর থেকে শুরু হয় ভারতের সেরা টাইগার সাফারি

নিজস্ব প্রতিবেদক • • পড়ার সময়: ২ মিনিট

ওয়াইল্ডলাইফ সাফারি বা বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের মনে সবার আগে যে প্রাণীটির নাম ভেসে ওঠে, তা হলো বাঘ। বিখ্যাত সব জঙ্গল ও সাফারি জোনে রাজকীয় এই বড় বিড়াল দেখার সুযোগ পেতে পর্যটকরা নানা পরিকল্পনা করে থাকেন। এসব অভিজ্ঞতার সূচনাবিন্দু হিসেবে কাজ করে ভারতের একটি বিশেষ শহর — নাগপুর, যা পরিচিত ‘টাইগার ক্যাপিটাল’ বা বাঘের রাজধানী হিসেবে।

চমৎকার বিমান ও ট্রেন যোগাযোগের পাশাপাশি অনেক সুরক্ষিত বনের কাছাকাছি অবস্থিত এই শহরটি মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলে অবস্থিত। শহরটির পাশেই রয়েছে পেঞ্চ, উমরেদ-কারহান্ডলা এবং তডোবা-আন্ধারির মতো বিখ্যাত রিজার্ভগুলো। প্রতিটি রিজার্ভ ভিন্ন ধরনের সাফারি অভিজ্ঞতা দেয়, যদিও বন্যপ্রাণী দেখার কোনো সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা থাকে না। বাঘ ছাড়াও এখানে দর্শনার্থীরা হরিণ, গৌর, চিতা, বুনো কুকুর এবং নানা ধরনের পাখি দেখতে পেতে পারেন।

পেঞ্চ টাইগার রিজার্ভ নাগপুরের কাছে অবস্থিত; বনের প্রাকৃতিক দৃশ্য ও সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত এটি। এই বনাঞ্চল রুডইয়ার্ড কিপলিংয়ের ‘দ্য জঙ্গল বুক’ রচনার পেছনে অনুপ্রেরণা জোগানো পরিবেশের সঙ্গে জড়িত। রিজার্ভে জিপ সাফারির ব্যবস্থা রয়েছে এবং নাগপুর এখানে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার।

নাগপুর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে উমরেদ-কারহান্ডলা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের জন্য আরেকটি দুর্দান্ত বিকল্প। এটি স্থানীয় বাঘ, গৌর ও বুনো কুকুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির আবাসস্থল।

তডোবা-আন্ধারি টাইগার রিজার্ভ নাগপুর থেকে কিছুটা দূরের পথ হলেও মহারাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত টাইগার সাফারি গন্তব্য। এই রিজার্ভের বেশ কয়েকটি সাফারি গেট রয়েছে, তাই ভ্রমণকারীদের বুক করা এন্ট্রি পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে থাকা ও যাতায়াতের পরিকল্পনা করা উচিত।

বন্যপ্রাণী দেখার পাশাপাশি নাগপুরে রয়েছে শহরের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ। শহরের ভেতরের দীক্ষাভূমি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ স্মারক — ১৯৫৬ সালে ড. বি আর আম্বেদকরের বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষা নেওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িত এটি। আর জিরো মাইল স্টোন ভারতের কেন্দ্রের কাছাকাছি নাগপুরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে জড়িত একটি ল্যান্ডমার্ক, শহর ঘুরে দেখার সময় দ্রুত ঘুরে নেওয়ার মতো জায়গা।

টাইগার সাফারির জন্য সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে ভালো ধরা হয় — গ্রীষ্মে জলের উৎসের কাছে বাঘের আনাগোনা বাড়ে বলে দেখা পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।

বিজ্ঞাপন
এখানে আপনার বিজ্ঞাপন দিনবড়লেখা টুডে — বড়লেখা-সিলেট ও প্রবাসের নিয়মিত পাঠকের কাছে আপনার ব্যবসাকে পৌঁছে দিনবিজ্ঞাপনের তথ্য →

ভ্রমণ বিভাগের আরও খবর

ভ্রমণ • ৫ মিনিটে পড়ুন

মৌলভীবাজারে দুই শতাধিক রিসোর্ট, অনুমোদন ও নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য রিসোর্ট। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পাহাড়, টিলা ও সবুজ প্রকৃতির পাশ…