বড়লেখায় গৃহবধূ সুমি জাহানের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্তে পুলিশ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সুমি জাহান (৩৮) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ৫ নম্বর দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিনগর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়ন এলাকায়। চন্ডিনগর গ্রামের ওই বাড়ি থেকেই পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। খবরটি এলাকায় জানাজানি হলে গৃহবধূর মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমি জাহান দুবাইপ্রবাসী আহাদুজ্জামান (৪০)-এর প্রথম স্ত্রী। স্বামী প্রবাসে থাকা অবস্থায় তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল।
সোমবার বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের সদস্যরা সুমি জাহানকে খুঁজতে যান। খুঁজতে গিয়ে তাঁরা ঘরের ভেতরে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরিবারের সদস্যরা ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়ার পর বিষয়টি বড়লেখা থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়।
খবর পেয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ সেখানে গিয়ে সুমি জাহানের মরদেহ উদ্ধার করে এবং থানায় নিয়ে যায়।
নিহত সুমি জাহানের পরিবারে দুই সন্তান রয়েছে। তাঁর ১৭ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ১১ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। মায়ের মৃত্যুতে পরিবারে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বড়লেখা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর কথা রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।
পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই সুমি জাহানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগে এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।
এদিকে গৃহবধূর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে বড়লেখা থানা পুলিশ।
সব মিলিয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের পরই এ মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তদন্ত ও প্রতিবেদনের ফলাফলের দিকেই এখন নজর থাকবে।




