পাহাড়-ঝরনা আর স্বচ্ছ জলের টানে সিলেটে পর্যটকের ঢল, হোটেলের ৭০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে
পাহাড়, ঝরনা আর স্বচ্ছ জলের টানে সিলেটে পর্যটকের ঢল নেমেছে। প্রকৃতির এই টানেই দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন সিলেটে, আর তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়।
জানা গেছে, সিলেটের হোটেলগুলোর ৭০ শতাংশ বুকিং ইতিমধ্যে হয়ে গেছে। পর্যটকের এই উপস্থিতি হোটেল খাতের জন্য বড় ধরনের ব্যস্ততার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সিলেটের পাহাড়ি প্রাকৃতিক দৃশ্য বরাবরই ভ্রমণপিপাসুদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র। তার সঙ্গে ঝরনার অবিরাম ধারা মিলিয়ে এই অঞ্চলের পরিবেশ ভ্রমণকারীদের কাছে আলাদা মাত্রা পায়।
স্বচ্ছ জলের আকর্ষণের কথাও উঠে এসেছে পর্যটকদের এই ঢলের পেছনের কারণ হিসেবে। পাহাড়, ঝরনা ও স্বচ্ছ জল — এই তিনের সমন্বয়ই সিলেটকে এই সময়ে পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্যে পরিণত করেছে।
হোটেল বুকিংয়ের হার ৭০ শতাংশে পৌঁছানো থেকে বোঝা যাচ্ছে, শুধু দিনের ভ্রমণ নয়, রাত্রিযাপন করে সিলেট ঘুরে দেখার পরিকল্পনা নিয়েই আসছেন অনেক পর্যটক।
পর্যটকের এই বাড়তি উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। হোটেলের পাশাপাশি পরিবহন, খাবার ও স্থানীয় ব্যবসায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
তবে বুকিংয়ের এই হার একই সঙ্গে একটি বার্তাও দিচ্ছে — যাঁরা এই সময়ে সিলেট ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের আগেভাগে থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে, না হলে পছন্দের হোটেলে জায়গা পাওয়া কঠিন হতে পারে।
সিলেট বিভাগের পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। পর্যটকের এমন ঢল সেই সম্ভাবনারই বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রকৃতিনির্ভর পর্যটনের এই চাহিদা টিকিয়ে রাখতে পরিবেশ সংরক্ষণের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাহাড়, ঝরনা ও স্বচ্ছ জলের এই সম্পদ অক্ষুণ্ণ থাকলেই পর্যটকের আগ্রহ ধরে রাখা সম্ভব হবে।
আগামী দিনগুলোতে পর্যটকের এই উপস্থিতি কোন পর্যায়ে থাকে এবং হোটেল বুকিংয়ের হার আরও বাড়ে কি না, সেদিকেই এখন সংশ্লিষ্টদের নজর থাকবে।



