প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৮ চুক্তির লক্ষ্য, চারটি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত: পররাষ্ট্র সচিব
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে আটটি চুক্তি ও সমঝোতা সইয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব।
সফরের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে গিয়ে পররাষ্ট্র সচিব এ তথ্য জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত আটটি চুক্তির মধ্যে চারটির বিষয়বস্তু ও খসড়া উভয় পক্ষের সম্মতিতে চূড়ান্ত হয়েছে; বাকিগুলো সফরের আগেই সম্পন্ন করার কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঢাকা-টোকিও সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সফরকে সফল করতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে চুক্তিগুলোর প্রস্তুতির অগ্রগতিতে।
জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার। অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প ও মানবসম্পদসহ নানা খাতে জাপানি সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফরে সই হতে যাওয়া প্রতিটি চুক্তিই দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সফরের আগে চারটি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার খবরে কূটনৈতিক মহলে ইতিবাচক বার্তা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ চুক্তির খসড়া আগেভাগে চূড়ান্ত হলে সফর চলাকালে সই অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায় এবং বাকি সময়টা শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব হয়।
বাকি চুক্তিগুলো চূড়ান্ত করতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলো কাজ করছে। সফরের সময়সূচি ঘনিয়ে আসায় এই প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে চুক্তি সইয়ের পাশাপাশি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক দিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সফর শেষে সই হওয়া চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। কোন কোন খাতে চূড়ান্ত চারটি চুক্তি সই হচ্ছে এবং বাকি চুক্তিগুলোর ভাগ্যে কী ঘটছে—সফর চলাকালে ও শেষে তার বিস্তারিত জানা যাবে।
সব মিলিয়ে আটটি চুক্তির লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর এখন দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। সফরটি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন গতি আনবে বলেই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।




