ফোডেনের হ্যাটট্রিকে এইকে এথেন্সকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিল ম্যানচেস্টার সিটি, সাত গোলের রোমাঞ্চে জিতল লিভারপুলও
চ্যাম্পিয়নস লিগের রাতে ফিল ফোডেনের হ্যাটট্রিকে ভর করে এইকে এথেন্সকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে আরেক রোমাঞ্চকর ম্যাচে ভিয়ারিয়ালকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল।
ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। প্রথমার্ধেই গোলের খাতা খোলেন ফিল ফোডেন, আর তাঁর সেই শুরুই পরে হ্যাটট্রিকের রূপ নেয়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল এইকে এথেন্স। গ্রিক ক্লাবটির জন্য পুরো ম্যাচে আনন্দের মুহূর্ত বলতে ওই একটাই।
এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি সিটিকে। এথেন্সের জালে আরও তিনটি গোল পাঠিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় তারা। প্রথমার্ধে এক গোল করা ফোডেন এই পর্বেই পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক।
ফোডেনের হ্যাটট্রিকের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ৫-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি। ইউরোপীয় মঞ্চে এমন প্রভাবশালী পারফরম্যান্স দলটির আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে।
রাতের অন্য ম্যাচে ছিল গোলের বন্যা। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ৪-৩ গোলের নাটকীয় জয় পেয়েছে লিভারপুল।
লিভারপুলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। সাত গোলের এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত এক গোলের ব্যবধানই জয়-পরাজয়ের ফারাক গড়ে দেয়।
একই রাতে দুই ইংলিশ ক্লাবের জয় চ্যাম্পিয়নস লিগের এই রাউন্ডকে করে তুলেছে স্মরণীয়। সিটির বড় জয় আর লিভারপুলের কষ্টার্জিত জয়—দুটি ম্যাচই ছিল আলাদা স্বাদের।
ম্যানচেস্টার সিটির জন্য ফোডেনের এই ফর্ম বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আক্রমণভাগের এই তারকা ছন্দে থাকলে সিটির ইউরোপীয় অভিযান আরও গতি পাবে বলে মনে করছেন সমর্থকরা।
অন্যদিকে লিভারপুলের জয় এসেছে লড়াই করে। পিছিয়ে-এগিয়ে চলা ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেওয়া দলটির মানসিক দৃঢ়তারই পরিচয় দেয়।
চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে প্রতিটি পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ। এই জয়ে দুই ইংলিশ ক্লাবই নিজেদের অবস্থান শক্ত করল।
এখন দুই দলেরই নজর পরের ম্যাচের দিকে। সিটি চাইবে এই গোলবন্যার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে, আর লিভারপুল চাইবে রক্ষণের ভুল কমিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে।




