ইঞ্জিন বিকল হয়ে স্টেশনে আটকে ঢাকাগামী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, দুই ঘণ্টা পেরিয়েও ছাড়েনি ট্রেন, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় ঢাকাগামী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন স্টেশনে আটকে পড়েছে। দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ট্রেনটি ছেড়ে যায়নি, ফলে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) এই ঘটনা ঘটে। নির্ধারিত যাত্রার অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা দীর্ঘ সময় স্টেশনে আটকে থাকেন, আর ট্রেন ছাড়ার কোনো নিশ্চয়তা না থাকায় তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়াই এই অচলাবস্থার কারণ। ইঞ্জিন সচল না হওয়া পর্যন্ত ট্রেনের পক্ষে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
দুই ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ট্রেন ছাড়েনি—এমন খবর একাধিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষায় যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্রই সেখানে উঠে এসেছে।
ঢাকাগামী এই ট্রেনের যাত্রীদের অনেকেরই রাজধানীতে নির্ধারিত কাজ ও গন্তব্য রয়েছে; ট্রেন আটকে থাকায় তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে যাত্রীদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য এই প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়নি।
ট্রেন চলাচলে এ ধরনের বিঘ্ন ঘটলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। স্টেশনে অনিশ্চিত অপেক্ষা, গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং বিকল্প পরিবহনের খোঁজ—সব মিলিয়ে ভোগান্তি বহুগুণ বেড়ে যায়।
কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস আটকে থাকার এই ঘটনা রেলের ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। যাত্রা শুরুর আগেই ইঞ্জিনের ত্রুটি ধরা পড়লে যাত্রীদের এমন দীর্ঘ ভোগান্তি এড়ানো যেত কি না, সেই প্রশ্ন যাত্রীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
তবে কখন ট্রেনটি আবার চলাচল শুরু করবে বা বিকল্প ইঞ্জিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনগুলোতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। যাত্রীরা ট্রেন ছাড়ার অপেক্ষাতেই রয়েছেন।
স্টেশনে আটকে থাকা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও তথ্য জানানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ট্রেনের অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা পেলে যাত্রীরা বিকল্প সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঢাকাগামী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস স্টেশনেই আটকে ছিল এবং যাত্রীদের অপেক্ষা অব্যাহত ছিল। ইঞ্জিন মেরামত বা বিকল্প ব্যবস্থার পর ট্রেনটি কখন রওনা দেবে, সেটাই এখন যাত্রীদের মূল প্রতীক্ষা।




