প্রায় এক বছর নির্বাসন কাটিয়ে ভেনিজুয়েলায় ফিরলেন নোবেলজয়ী বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো
ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো নিজ দেশে ফিরেছেন। এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রায় এক বছর নির্বাসনে থাকার পর নিজ দেশে ফেরার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে নিশ্চিত করেছেন মাচাদো।
এক্সে স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া সংক্ষিপ্ত এক পোস্টে মাচাদো লিখেছেন, ‘আমি এখানে। আপনাদের সঙ্গে।’ তাঁর মিত্র ও নির্বাসিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এদমুন্দো গনসালেস উরুতিয়া দ্রুত পোস্টটি আবার শেয়ার করেন।
পোস্টটি শেয়ার করে গনসালেস উরুতিয়া লিখেছেন, ‘ভেনিজুয়েলা! অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে আপনাদের জানাচ্ছি, আমাদের নেতা, আমার প্রিয় মারিয়া কোরিনা এখন ভেনিজুয়েলার মাটিতে।’ তিনি আরও লিখেছেন, আজ ভেনিজুয়েলাবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন; তাঁদের সার্বভৌম কণ্ঠস্বর ফিরে এসেছেন এই প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিতে ও পথ দেখাতে, এবং খুব শিগগিরই তিনি তাঁদের ও মাচাদোর সঙ্গে থাকবেন, যাতে দেশ সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে পারে।
২০২৫ সালের শেষ দিকে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের জন্য গোপনে ভেনিজুয়েলা ছাড়ার পর থেকে নির্বাসনে ছিলেন মাচাদো। তাঁর দলের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরার জন্য তিনি অন্তত সাতবার চেষ্টা করেছেন, তবে ভেনিজুয়েলা কর্তৃপক্ষ তাঁকে বাধা দিয়েছে।
মাচাদো ভেনিজুয়েলা ছাড়ার পরের মাসে মার্কিন বাহিনী দেশটির দীর্ঘদিনের নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে ফৌজদারি অভিযোগের মুখোমুখি করতে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ ওই অভিযান চালানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূয়সী প্রশংসা করেন মাচাদো।
তবে ওয়াশিংটন মাদুরোর ডেপুটি দেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশ পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে। রদ্রিগেজের প্রতি ট্রাম্পের বারবার সন্তোষ প্রকাশের কারণে অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেছিলেন, মাচাদোর দেশে ফেরার পথে বাধা সৃষ্টিতে ওয়াশিংটনের ভূমিকা ছিল।



