মিয়ানমারের বাগানে প্রাচীন মন্দিরের আকাশে হাজারো ফানুস, প্রথমবারের মতো সরকারি স্কাই ল্যান্টার্ন উৎসব

মিয়ানমারের প্রাচীন নগরী বাগানে শতাব্দীপ্রাচীন মন্দির ও প্যাগোডার ওপরে রাতের আকাশে শত শত জ্বলন্ত ফানুস ভেসে উঠেছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে থাডিংয়ুট উৎসব উদ্যাপন করেছেন।
থাডিংয়ুট মিয়ানমারের আলোর উৎসব হিসেবে পরিচিত। বর্ষাকালে তিন মাসের বৌদ্ধ উপবাসের সময়কাল শেষ হওয়াকে এই উৎসব দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। এবারের উদ্যাপন চলেছে ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন ধরে।
উৎসবে পরিবারগুলো প্রাচীন মন্দিরগুলোর ওপরে কাগজের ফানুস উড়িয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ভক্তরা প্রার্থনা করেছেন, নৈবেদ্য দিয়েছেন এবং তিন দিনের নানা আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।
এবারই প্রথম বাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কাই ল্যান্টার্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়। সামরিক কর্তৃপক্ষের পর্যটন বিভাগ এই আয়োজন করে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানটির আকাশে প্রতি সন্ধ্যায় প্রায় এক হাজার করে ফানুস ওড়ানো হয়।
ঐতিহ্য অনুযায়ী, থাডিংয়ুটে বুদ্ধের স্বর্গীয় জগৎ থেকে ফিরে আসাকে স্মরণ করা হয়; সেখানে তিনি তাঁর মাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। এই উপলক্ষে ঐতিহ্যগতভাবে মোমবাতি ও ফানুস জ্বালানো হয়।
উৎসবটি পারিবারিক মিলনমেলারও উপলক্ষ। এই সময়ে প্রবীণদের সম্মান জানানোর রীতিও পালন করা হয় বলে আয়োজনে উল্লেখ করা হয়েছে।



