ডব্লিউএনবিএ ফাইনালে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ ড্রিম কোচ স্মেসকো ও এঞ্জেল রিসের, সিরিজে পিছিয়ে আটলান্টা

যুক্তরাষ্ট্রের নারী বাস্কেটবল লিগ ডব্লিউএনবিএর ফাইনালে রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছেন আটলান্টা ড্রিমের প্রধান কোচ কার্ল স্মেসকো ও দলটির তারকা ফরোয়ার্ড এঞ্জেল রিস। পঞ্চম ম্যাচে গোল্ডেন স্টেট ভালকিরিসের কাছে ৬৪–৫৫ ব্যবধানে হারের পর তাঁরা এই অভিযোগ তোলেন।
স্মেসকো বলেন, রিসের বিরুদ্ধে যে পরিমাণ শারীরিক সংঘর্ষ হয়েছে, তার তুলনায় রেফারিরা অনেক সংস্পর্শই চোখে দেখেননি। তাঁর ভাষায়, অন্য সবার তুলনায় রিসের ওপর হওয়া সংঘর্ষের বিচার ‘একেবারেই হাস্যকর’। তিনি ভালকিরিসের ভালো রক্ষণের কৃতিত্ব দিলেও বলেছেন, তিনি রিসের পাশে দাঁড়াতে চান।
ওই ম্যাচে রিস সাত পয়েন্ট করেন এবং ১৫টি রিবাউন্ড নেন। এই হারে ড্রিম বাদ পড়ার দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে। সিরিজের ষষ্ঠ ম্যাচ বৃহস্পতিবার আটলান্টায় হবে।
স্মেসকো আরও বলেন, এই পর্যায়ে এসে এত ভুল করা যায় না। তাঁর প্রধান ক্ষোভ ছিল রিসের ক্ষেত্রে কয়েকটি কল না দেওয়া নিয়ে। ভালকিরিসের সম্ভাব্য ডাবল-ড্রিবল ও ট্রাভেলিং লঙ্ঘনও রেফারিরা ধরেননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
রিস নিজেও একই সুরে কথা বলেছেন। চারটি ব্যক্তিগত ফাউলের শিকার হওয়া রিস বলেন, শারীরিক খেলার মধ্য দিয়ে কীভাবে খেলতে হবে, তা তিনি এখনো বোঝার চেষ্টা করছেন। মৌসুমজুড়েই এমনটা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সতীর্থদের মাটিতে ফেলে দেওয়া বা ধাক্কা দেওয়া হলে তা হতাশাজনক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রিসের আরেকটি অভিযোগ, সিরিজে আটলান্টা ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকে রেফারিংয়ের ধরন বদলে গেছে। চতুর্থ ম্যাচেও তিনি এক অঙ্কের পয়েন্টে থেমেছিলেন, সেদিন ৬৭–৬২ ব্যবধানে হারের ম্যাচে তাঁর পয়েন্ট ছিল আট।
ভালকিরিসের কোচ নাটালি নাকাসে অবশ্য শারীরিক খেলাকে স্বাভাবিক বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, দুই দলই জিততে চায়, দুটোই রক্ষণমনস্ক দল এবং শারীরিক খেলা এর অংশ; এতে তিনি অবাক হননি।
পঞ্চম ম্যাচে আটলান্টা মাত্র ১৪টি ফ্রি থ্রো পেয়েছে, যা এই পোস্টসিজনে তাদের প্লে-অফ ম্যাচগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম। ম্যাচটি ছিল রক্ষণনির্ভর; গোল্ডেন স্টেটের ৬৪ পয়েন্ট ২০০৫ সালের পর ডব্লিউএনবিএ ফাইনালে জয়ী কোনো দলের সর্বনিম্ন সংগ্রহ।
ষষ্ঠ ম্যাচটি বৃহস্পতিবার আটলান্টার স্টেট ফার্ম অ্যারেনায় হবে, খেলা শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে। স্মেসকো আশা প্রকাশ করেছেন, কাজের দিনে দুপুরে খেলা হলেও যত বেশি সম্ভব মানুষ যেন ম্যাচটি দেখতে পারেন।




