ভাগনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন ডলি পার্টনের এস্টেটের, হুমকির অভিযোগ অস্বীকার নিরাপত্তা কর্মকর্তার

প্রয়াত কান্ট্রি সংগীত তারকা ডলি পার্টনের এস্টেট তাঁর ভাগনে ও সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ব্রায়ান সিভারের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজের আবেদন করেছে। বৃহস্পতিবার টেনেসি রাজ্যের আদালতে এই আবেদনের নোটিশ দাখিল করা হয়।
পার্টনের পেশাগত সম্পদ দেখভালকারী প্রতিষ্ঠান শি’জ অ্যালাইভ এলএলসি সিভার ও তাঁর নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান স্কোয়াড্রন অগমেন্টেড প্রটেকশন সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে মামলাটি স্বেচ্ছায় খারিজ চেয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, খারিজটি ‘উইদআউট প্রেজুডিস’ — অর্থাৎ ভবিষ্যতে আবার একই দাবি তোলা যেতে পারে।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য সিভার ও পার্টনের এস্টেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এই আবেদনের তিন দিন আগেই সিভার ও তাঁর প্রতিষ্ঠান ১৮ পৃষ্ঠার জবাব দিয়ে পার্টনের এস্টেট-সংশ্লিষ্টদের হুমকি ও ভীতি দেখানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।
গত সেপ্টেম্বরে এস্টেট মামলাটি করে। তাতে অভিযোগ ছিল, গত আগস্টে পার্টনের মৃত্যুর পর সিভার হুমকি দিয়ে ‘ভয়ের সংস্কৃতি’ তৈরি করেছেন।
জবাবে সিভার ‘ক্রমবর্ধমান ভীতি প্রদর্শনের অভিযান’ চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, মামলায় উদ্ধৃত ব্যক্তিগত বার্তাগুলো প্রসঙ্গের বাইরে নেওয়া হয়েছে।
ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন সিভার। তাঁর ভাষ্য, ইতিমধ্যে দেওয়া সেবার জন্য তাঁর নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ লাখ ৫১ হাজার ডলার পাওনা ছিল এবং সেই অর্থ পরে পরিশোধ করা হয়েছে।
সেপ্টেম্বরেই এস্টেট সিভার ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিল। তখন একজন বিচারক শি’জ অ্যালাইভের জন্য ‘বর্তমান ও চলমান বিঘ্ন ও হুমকি’ রয়েছে বলে মত দিয়েছিলেন।
এরপর ৫ অক্টোবরের এক আদালত নথিতে এস্টেট অভিযোগ করে, সিভার মামলার নোটিশ গ্রহণ এড়ানোর চেষ্টা করেছেন। তাতে বাসার সামনের উঠানে ‘প্রবেশ নিষেধ’ সাইন ও সামনের দরজার হাতলে কাঁটাতার জড়ানোর কথা উল্লেখ করা হয়। সে সময় সিভার জানিয়েছিলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে তিনি প্রকাশ্যে মামলা নিয়ে কথা বলতে পারছেন না।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যান্সারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ের পর গত আগস্টে ডলি পার্টন মারা যান। প্রায় দুই দশক ধরে তাঁর নিরাপত্তা সেবা দিয়েছিলেন সিভার এবং সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনিই পার্টনের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেছিলেন।




