ইংল্যান্ড দলে ফেরার পথ কঠিন হয়ে উঠছে কোল পালমারের
ইংল্যান্ডের সর্বশেষ দল থেকে কোল পালমারকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চেলসি তারকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন কোচ থমাস টুখেল। জার্মান কোচের মতে, পালমার নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ অনেক বেশি নষ্ট করছেন।
আসন্ন নেশনস লিগে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে এবং বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের বিপক্ষে মাদ্রিদে ম্যাচের আগে পালমার পুরোপুরি সুস্থ ও খেলার জন্য প্রস্তুত — এমন নিশ্চয়তা পাওয়ার পরও তাকে দলে নেননি টুখেল।
টুখেল এর আগেও দেখিয়েছেন, তার ইংল্যান্ড দলে আবেগ বা তারকা-নির্ভরতার জায়গা নেই। দলে জায়গা পেতে হলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই একমাত্র মাপকাঠি বলে মনে করেন তিনি।
পালমারের সামনে ইংল্যান্ড দলে ফেরার পথ কতটা কঠিন, তা বোঝা যাচ্ছে কোচের কথায়। একসময় ইংল্যান্ডের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত এই তারকা এখন দলের বাইরে।
ইংল্যান্ডের হয়ে পালমারের উত্থান একসময় সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের প্রতীক ছিল। ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল করেছিলেন তিনি, যদিও ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত হেরে যায়।
গত গ্রীষ্মে বিশ্বকাপের দল থেকেও বাদ পড়েছিলেন পালমার। সে সময় চেলসির হয়ে তার অনিয়মিত পারফরম্যান্স ও চোটের সমস্যাও টুখেলের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল।
ইংল্যান্ডের হয়ে পালমারের ক্যারিয়ার শুরু থেকেই থেমে থেমে এগিয়েছে। গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে ২০২৩ সালের নভেম্বরে মাল্টার বিপক্ষে ইউরো বাছাইপর্বের ম্যাচে অভিষেক হয় তার।
এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে ১৪ ম্যাচ খেলেছেন পালমার, গোল করেছেন দুটি, অ্যাসিস্ট করেছেন একটি।
গত মার্চে ওয়েম্বলিতে জাপানের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের ম্যাচটিই ছিল পালমারের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি। সে ম্যাচে ‘নম্বর টেন’ পজিশনে খেললেও এক ঘণ্টার আগেই তাকে তুলে নেওয়া হয়।
আরও উল্লেখযোগ্য, টুখেল ইংল্যান্ডের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৬ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনটিতে খেলেছেন পালমার। আপাতত জাতীয় দলে ফেরার কোনো সহজ পথও দেখা যাচ্ছে না।




