ভুটানকে হারিয়ে সাফ শুরু বাংলাদেশের, শ্রীলঙ্কা ম্যাচেও জয়ের ক্ষুধা মোরসালিনের
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এ জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে জয় পাওয়া বাংলাদেশের চোখ এখন দ্বিতীয় ম্যাচে। এ ম্যাচেও জয় চায় বাংলাদেশ, এমন জানাচ্ছেন বাংলাদেশ দলের মিডফিল্ডার শেখ মোরসালিন।
গ্রুপপর্বের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নামবে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের খেলা ১১ নভেম্বর, শুরু হবে রাত ৮টায়।
অনুশীলনের আগে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন ২১ বাংলাদেশ তারকা। সেখানে ঘরের মাঠের সমর্থকেরা চ্যালেঞ্জিং হবে কি না এমন প্রশ্নে মোরসালিন বলেন, ‘একদিক থেকে আমি মনে করি যে ভালো হয়েছে। অনেক সময় হয় যে, অনেক বেশি গোল দিয়ে ফেললে শরীর স্বাভাবিক হয়ে যায়। তো আমি মনে করি ওই দিক থেকে ঠিক আছে। মানে, আমরা এখনো সবাই খুব জয়ের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। তো আমি মনে করি যে আমরা পরবর্তী ম্যাচ জিতবো।’
প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও দলের মধ্যে জয়ের ক্ষুধা এখনো রয়ে গেছে বলে জানান মোরসালিন। তার কথায়, বড় ব্যবধানে জয় পেলে অনেক সময় দলের মধ্যে স্বস্তি চলে আসে। কিন্তু এবার সেটা হয়নি। দলের সবাই এখনো জয়ের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। এই মানসিকতাই পরের ম্যাচে কাজে লাগবে বলে তার বিশ্বাস।
দুদলে বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়ের আধিক্য প্রসঙ্গে এ তারকা বলেন, ‘সেরকম কিছু না। আমার কাছে যেটা মনে হয় যে আমাদের বাংলাদেশ দলে যারা আছে সবাই দেশের হয়ে খেলবে। তো আমরা আমাদের প্লেয়ারের সাথে ওদের আসলে তুলনা করতে চাই না। আমরা মনে করি ওরা অবশ্যই ভালো, আর আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দলও খুব ভালো। তো আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী যে আমরা জিতবো ইনশাআল্লাহ।’
মোরসালিনের মতে, প্রতিপক্ষ দলে কারা আছেন, সেটা নিয়ে ভাবার চেয়ে নিজেদের দলের ওপর বিশ্বাস রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ দলের সবাই দেশের হয়ে খেলতে এসেছে। প্রতিপক্ষ অবশ্যই ভালো দল, তবে বাংলাদেশও খুব ভালো দল বলে তিনি মনে করেন।
তপু বর্মণের সবশেষ অবস্থা জানতে চাইলে মোরসালিন বলেন, ‘এটা আসলে আমি বলতে পারবো না। ফিজিও যারা আছেন, এটা আমার জন্য বলাটা কঠিন হয়ে যায়।’ অর্থাৎ তপু বর্মণের ফিটনেসের বিষয়টি দলের ফিজিওদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।
এখন বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। ১১ নভেম্বর রাত ৮টায় শুরু হবে গ্রুপপর্বের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচটি। ভুটান ম্যাচের জয় দলকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও জয় চায় বাংলাদেশ।




