ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে টানা অষ্টম জয় রিয়াল মাদ্রিদের

জয়রথ ছুটছে রিয়াল মাদ্রিদের। চ্যাম্পিয়নস লিগ, লা লিগাসহ সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলে সবশেষ আট ম্যাচের আটটিতেই জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গত রাতে লা লিগায় ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে দাপুটে এক জয় পেয়েছে দলটি।
ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় পেয়েছে রিয়াল। গোল তিনটি করেন তিন আলাদা ফুটবলার। যাঁদের মধ্যে একটা গোল কিলিয়ান এমবাপ্পের। কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্দা গুলেরদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ রিয়াল কোচ।
ম্যাচের ২৮ মিনিটে দলের প্রথম গোল করেন ফেদেরিকো ভালভার্দে। ৩৬ মিনিটে গোল করেন আর্দা গুলের। ৭৫ মিনিটে গুলেরের অ্যাসিস্টে গোল করেন এমবাপ্পে।
রিয়ালের তিন গোলের মধ্যে দুটিতে অবদান রেখেছেন গুলের। ৩৬ মিনিটে নিজে গোল করার পাশাপাশি ৭৫ মিনিটে তাঁর অ্যাসিস্টে গোল করেন এমবাপ্পে।
দুর্দান্ত জয়ের পর শিষ্যদের প্রশংসায় ভাসিয়ে রিয়াল কোচ জোসে মরিনিও বলেন, ‘দলটি খুব শক্তিশালী। তাদের মধ্যে বোঝাপড়া দারুণ। দলটির সামনে ভালো কিছু করার সম্ভাবনা রয়েছে।’
কখনো শেষ মুহূর্তের ম্যাজিক, কখনোবা দাপটের সঙ্গে জিতছে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরে, ঘরের বাইরে সব জায়গাতেই দলের জয়জয়কার। ম্যাচের ধকলও কম যাচ্ছে না রিয়াল মাদ্রিদের। এমনকি নিয়মিতই স্প্যানিশ দলটিকে বদলাতে হচ্ছে ভেন্যু। তবু শিষ্যদের আত্মনিবেদনে মুগ্ধ মরিনিও।
ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে গতকাল দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের একটা মুহূর্তের কথাও উল্লেখ করেন মরিনিও। যেখানে একটা পর্যায়ে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরও এমবাপ্পে দ্রুত বলের দখল নিয়ে গোল করেন। মরিনিও বলেন, ‘আপনি যে বিষয়টার কথা বলছিলেন, সেটা নিয়ে বলতে গেলে দ্বিতীয়ার্ধের একটা মুহূর্ত মনে পড়ে গেল। আমরা বল দখলে রাখতে পারিনি। আর্দা গুলের নিজের নির্ধারিত অবস্থানের বাইরে ছিল। তখন কিলিয়ান এমবাপ্পে দ্রুত দৌড়ে এসে ডান প্রান্তের ফাঁকা জায়গা পূরণ করেছে। আমার মতে এটা একটা ভালো উদাহরণ।’
শুধু গতকালের ম্যাচটিই নয়। পুরো মৌসুমজুড়েই এমবাপ্পে দুর্দান্ত খেলছেন। চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে সব ধরনের ম্যাচ মিলিয়ে ১৬ ম্যাচে করেন ১৭ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন ৩ গোলে।
১২ ম্যাচে ১০ জয় ও ২ হারে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। সবার ওপরে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্টও ৩০। তবে তারা গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষে রয়েছে কাতালানরা। তারা খেলেছে ১০ ম্যাচ। ১১ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

