ইয়ামালকে মাথা দিয়ে আঘাত করে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় বেতিসের মিডফিল্ডার
বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে মাথা দিয়ে আঘাত করার ঘটনায় রিয়াল বেতিসের এক মিডফিল্ডার চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন। ম্যাচ চলাকালে ঘটা এই ঘটনার পর শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটে বেতিস ও বার্সেলোনার মধ্যকার ম্যাচে। খেলার একপর্যায়ে বেতিসের ওই মিডফিল্ডার ইয়ামালকে মাথা দিয়ে আঘাত করেন, যা নিয়ে মাঠে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
মাথা দিয়ে আঘাত করা ফুটবলে গুরুতর অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত সরাসরি লাল কার্ড ও পরবর্তী সময়ে বাড়তি নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে, আর এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার অর্থ হলো, আগামী চারটি ম্যাচে বেতিস ওই মিডফিল্ডারকে মাঠে নামাতে পারবে না। দলের মধ্যমাঠের জন্য এটি একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ নিয়মিত একাদশের খেলোয়াড়কে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হবে কোচকে।
লামিন ইয়ামাল বর্তমান বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত তরুণ খেলোয়াড়দের একজন। বার্সেলোনার আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা তিনি, আর তার ওপর এমন আঘাতের ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ইয়ামালের গুরুতর কোনো চোটের খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের এমন আচরণ নিয়ে বার্সেলোনা শিবিরে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ফুটবলে তারকা খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে কড়া ট্যাকল ও শারীরিক খেলার অভিযোগ নতুন নয়। তবে মাথা দিয়ে আঘাতের মতো ঘটনা সেই সীমা ছাড়িয়ে যায় বলেই শাস্তিটাও কঠোর হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।
বেতিসের পক্ষ থেকে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। আপিল করা হলে শাস্তি কমার সম্ভাবনা থাকে, আবার আপিল খারিজ হলে পুরো চার ম্যাচই বাইরে থাকতে হবে ওই মিডফিল্ডারকে।
এই ঘটনা আবারও ফুটবলে খেলোয়াড় সুরক্ষা ও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা সামনে এনেছে। মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর শাস্তির বিকল্প নেই বলেও মত দিয়েছেন অনেক সাবেক খেলোয়াড় ও বিশ্লেষক।
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় বেতিসকে এখন মধ্যমাঠে বিকল্প খুঁজতে হবে। অন্যদিকে বার্সেলোনা ও ইয়ামালের জন্য স্বস্তির বিষয় হলো, বড় কোনো চোট ছাড়াই ঘটনাটি পার হয়েছে।



