দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত শ্রমিক নেতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জামায়াত নেতা মাওলানা আমিনুল ইসলাম
কুলাউড়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত শ্রমিক নেতা তসলিম উদ্দিনকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন জামায়াত নেতা মাওলানা আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আরও দুই ব্যক্তির খোঁজখবর নিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান আমিনুল ইসলাম। সেখানে চিকিৎসাধীন আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
জানা গেছে, গত শনিবার গভীর রাতে কুলাউড়া থেকে বড়লেখায় ফেরার পথে আছুরিঘাট এলাকায় দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলার শিকার হন তসলিম উদ্দিন।
তসলিম উদ্দিন বড়লেখা উপজেলা সিএনজি অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি। তিনি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সুজানগর ইউনিয়ন সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।
হামলায় গুরুতর আহত হলে তসলিম উদ্দিনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে আমিনুল ইসলাম গত মঙ্গলবার রাতে বড়লেখার শাহবাজপুর বাজার এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দুজনেরও খোঁজখবর নেন। তারা হলেন বিহাইডহর গ্রামের কামরান আহমদ ও ইটাউরী গ্রামের ইসলাম উদ্দিন।
তিনি আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বড়লেখা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ও বড়লেখা উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মদ আতাউর রহমান, সিলেট ইউনিভার্সেল কলেজের প্রিন্সিপাল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং সুজানগর আইডিয়াল মাদ্রাসার শিক্ষক ও সুজানগর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি শরফ উদ্দিনসহ অন্যরা।
পরে এক ভিডিও বার্তায় শ্রমিক নেতা তসলিম উদ্দিনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হামলার পরও জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি প্রশাসন। রাতের বেলায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল কার্যক্রমেও উদাসীনতা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। অথচ রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তদের হামলার মতো ঘটনা জনমনে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করছে।’ এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াত নেতা আমিনুল ইসলাম।




