জয়পুরহাটে সাড়ে সাত হাজার ট্যাপেন্টাডলসহ দুজন গ্রেপ্তার, পলাতক আরও একজন
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় সাড়ে সাত হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৫ ও ২০ বিজিবির যৌথ আভিযানিক দল। এ ঘটনায় আরও এক ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বিপুল পরিমাণ এই মাদক উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে এসআরবি জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চেঁচড়া গ্রামে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের চেঁচড়া গ্রামের আবুল কাশেম (৫৫) ও সুরুজ মণ্ডল (৪০)। আর পলাতক ব্যক্তির নাম রিফাত (২৩); তিনি একই উপজেলার ভুঁইডোবা গ্রামের বাসিন্দা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চেঁচড়া গ্রামের কয়েকজন মাদক কারবারি বিক্রির উদ্দেশ্যে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাড়িতে মজুত রেখেছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের সূত্র ধরেই অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে আবুল কাশেম ও সুরুজ মণ্ডলকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে সাড়ে সাত হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে ভুঁইডোবা গ্রামে রিফাতের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যান তিনি। ফলে তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরের যোগসাজশে অবৈধ মাদক সংগ্রহ করে এলাকায় বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন। অর্থাৎ তাদের বিরুদ্ধে শুধু মজুতের নয়, এলাকাজুড়ে বিক্রিরও অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পাঁচবিবি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া থানার মাধ্যমেই এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম বলেন, বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




