এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর, অপেক্ষায় ১২ লাখ ৭০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী
এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর। তারিখটি নির্ধারণের মধ্য দিয়ে সারা দেশের লাখো পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের দিনক্ষণ স্পষ্ট হলো।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান শনিবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন। তাঁর ঘোষণার পর ফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে চলা জল্পনার অবসান ঘটেছে।
এর আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে যেকোনো একদিন ফল প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাবের পরিসরের শেষ দিনটিই, ২৯ অক্টোবর, এখন ফল প্রকাশের তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই। দীর্ঘ পরীক্ষা-পর্ব শেষ হওয়ার পর থেকে ফল কবে আসবে, তা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অপেক্ষা চলছিল।
এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এই বিশাল সংখ্যাটিই দেখিয়ে দেয়, এই একটি ফল কত পরিবারের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন বলেও সংশ্লিষ্ট তথ্যে জানা গেছে। ফলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ও ফল পাওয়ার সংখ্যা মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা থেকে কিছুটা কম হবে।
এইচএসসি ও সমমানের ফল বাংলাদেশের শিক্ষাজীবনের অন্যতম বড় ধাপ। এই ফলের ওপর ভিত্তি করেই শিক্ষার্থীদের পরবর্তী উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা, ভর্তি-প্রস্তুতি ও অনেকের ক্ষেত্রে পেশাগত পথের দিকনির্দেশনা তৈরি হয়।
সে কারণে ফলের তারিখ ঘোষণা মানেই শুধু একটি দিন জানা নয়। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতির সময়সূচি সাজাতে পারেন এবং পরিবারগুলোও তাদের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে পারেন।
বোর্ডগুলোর প্রস্তাব থেকে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি এবার তুলনামূলকভাবে দ্রুতই শেষ হয়েছে। ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের প্রস্তাবিত সময়সীমার মধ্যেই তারিখ চূড়ান্ত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের আর অনিশ্চয়তায় থাকতে হচ্ছে না।
এখন সবার চোখ ২৯ অক্টোবরের দিকে। সেদিন ফল প্রকাশ হলে একসঙ্গে জানা যাবে এবারের পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক অর্জনের চিত্র।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পরবর্তী করণীয় ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়ে ধাপে ধাপে নতুন তথ্য আসবে। আপাতত অপেক্ষার প্রহর গুনছেন ১২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী ও তাদের স্বজনেরা।





