সিঙ্গাপুরে মেৎর্সের বার্তা: ইউরোপ এখনও বিনিয়োগের নিরাপদ জায়গা, এশিয়া সফরে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎর্স জোর দিয়ে বলেছেন, ইউরোপ এখনও বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল জায়গা। চীনের বাইরে এশিয়ায় জার্মানির সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করতে মঙ্গলবার তিন দেশের সফর শুরু করেছেন তিনি।
সফরের প্রথম গন্তব্য সিঙ্গাপুরে মেৎর্স বলেন, ‘ইউরোপে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।’ সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওংয়ের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এ কথা বলেন। এই সফরে তিনি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও যাবেন।
মেৎর্স বলেন, ‘আমার নেতৃত্বাধীন ফেডারেল সরকারের অধীনে বিনিয়োগের সুযোগ ক্রমাগত উন্নত করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে জার্মানি ও ইউরোপের প্রতি আমি প্রচুর আস্থা দেখতে পাচ্ছি।’
লরেন্স ওং বলেন, সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জার্মানি ও ইউরোপের প্রতি আস্থা এখনও শক্তিশালী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিনিয়োগকারীরা একটি নির্বাচনী চক্রের সঙ্গে বাঁধা দৃষ্টিভঙ্গি নয়, দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নেন।
মেৎর্সের এই ইতিবাচক বার্তা এসেছে বার্লিনে নতুন অস্থিরতার পটভূমিতে। জুনিয়র জোটসঙ্গী দলের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বারবেল বাস এই মাসে পদত্যাগ করেছেন। মেৎর্সের জনপ্রিয়তা কমেছে, অন্যদিকে অতি-ডানপন্থীদের সমর্থন বেড়েছে। ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভের সঙ্গে ব্যাপক লুটপাটও হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ এবং অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনের উত্থানের মধ্যে বার্লিন তার বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারত্বে বৈচিত্র্য আনতে চাইছে। চীন এখনও এশিয়ায় জার্মানির সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অংশীদার, তবে দেশটিকে ক্রমেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মেৎর্স বলেন, সিঙ্গাপুর, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া জার্মানির সঙ্গে ‘অভিন্ন স্বার্থ’ ভাগ করে। কোনো দেশের নাম না করে তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে এসব প্রচেষ্টা চালালে অন্য দেশগুলোর কাছ থেকে আমাদের স্বাধীনতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।’




