ইসরায়েলে ভোটগ্রহণ: রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠিন পরীক্ষায় নেতানিয়াহু

ইসরায়েলে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই দেশটির প্রথম নির্বাচন, আর এই ভোটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক টিকে থাকাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।
গভীরভাবে বিভক্ত ইসরায়েলের ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে প্রবীণ এই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব নিয়ে নিজেদের রায় দিচ্ছেন। ২০২৩ সালের হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলা এবং তার পরের যুদ্ধগুলোর প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বকে ওজন করেই ভোট দিচ্ছেন তাঁরা।
ভোট শুরুর চার ঘণ্টা পর ভোটার উপস্থিতি ১৬.৭ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত জনমত জরিপ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে নেতানিয়াহু ও সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকোটের মধ্যে প্রায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।
অনেকের চোখে এটি ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচনের ফল গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের প্রশ্নে দেশটির পররাষ্ট্রনীতির দিকও নির্ধারণ করে দিতে পারে; দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর অবস্থান এসব ইস্যুতে কোথায় আলাদা, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
জেরুজালেম থেকে বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতা জেমস ল্যান্ডেল জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ চলাকালে এই নির্বাচন গাজা ও বিস্তৃত অঞ্চলের জন্য কী অর্থ বয়ে আনবে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। নতুন সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় সময় লাগতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।



