কানাডাকে ‘সহযোগী সদস্য’ বলা নিয়ে ভাগ হয়ে গেল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মন্ট্রিয়ল সম্মেলনের আগেই অনৈক্য
মন্ট্রিয়লে কানাডার সঙ্গে সম্মেলনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভাগ হয়ে গেছে কানাডাকে ‘সহযোগী সদস্য’ মর্যাদা দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে। ওই শব্দবন্ধটি থাকা একটি বিবৃতিতে সই করতে রাজি হয়নি কয়েকটি দেশ।
সোমবার রাষ্ট্রদূতদের আলোচনায় ইইউর রাজধানীগুলো বিবৃতির ভাষা নিয়ে একমত হতে পারেনি। এরপর মঙ্গলবার নেওয়া হয় তথাকথিত নীরবতা পদ্ধতি—এর মানে, দুপুরের মধ্যে কোনো দেশ আপত্তি না জানালে আনুষ্ঠানিক বৈঠক বা ভোট ছাড়াই নতুন খসড়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে গৃহীত হয়ে যেত।
কিন্তু ‘সহযোগী সদস্য’ শব্দটি খসড়া থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দাবিতে অগ্রণী জার্মানি সেই সময়সীমার আগেই নীরবতা ভঙ্গকারী অন্তত চারটি দেশের একটি ছিল বলে জানিয়েছেন দুই ইইউ কূটনীতিক, যাঁদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলতে দেওয়া হয়েছে। ফলে বুধবার রাষ্ট্রদূতদের আরেকটি বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে—ইইউ-কানাডা সম্মেলন শুরুর মাত্র একদিন আগে।
এই বিভক্তি দেখিয়ে দিচ্ছে ‘সহযোগী সদস্যপদ’ ধারণাটি নিয়ে ইইউ কতটা বিভক্ত। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন গত মাসে স্ট্রাসবুর্গে তাঁর স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সে সময় চারজন ইইউ কূটনীতিক জানিয়েছিলেন, ধারণাটি তুলে ধরার আগে তিনি ইউরোপীয় রাজধানীগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করেননি।
ফন ডার লেয়েন, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা, ইইউর শীর্ষ কূটনীতিক কায়া কাল্লাস এবং ১০ জন কমিশনার বৃহস্পতি ও শুক্রবার মন্ট্রিয়লে কার্নির সঙ্গে সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন। বাণিজ্য ও জ্বালানি থেকে শিক্ষা ও আর্কটিক পর্যন্ত নানা ক্ষেত্রে সম্পর্ক ও সহযোগিতা গভীর করাই এই সম্মেলনের লক্ষ্য।



