ঢাকায় জরুরি অবতরণের পর মারা যাওয়া ভারতীয় নারী অঞ্জনার মরদেহ ১০ দিন পর সিলেটের তামাবিল দিয়ে হস্তান্তর

চিকিৎসার জন্য বিমানে কলকাতা যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করা ভারতের আসাম রাজ্যের অঞ্জনা ভৌমিকের (৫৬) মরদেহ ১০ দিন পর দেশে ফিরেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে মরদেহটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এ সময় তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৮ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য আগরতলা থেকে বিমানে কলকাতা যাচ্ছিলেন অঞ্জনা ভৌমিক। যাত্রাপথে বিমানের দরজায় ত্রুটি দেখা দিলে সেটি জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে ক্রু সদস্য, একজন চিকিৎসক ও একজন প্যারামেডিক ছিলেন এবং জরুরি অবতরণের পর সবাইকে নিরাপদে পাওয়া যায়।
পরে অসুস্থ অঞ্জনা ভৌমিককে ঢাকার কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মরদেহ ভারতে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় নথিপত্রের জটিলতা দেখা দেয়। অঞ্জনা ভৌমিক ও তার সঙ্গে থাকা নিকটাত্মীয়ের পাসপোর্ট না থাকায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন তাদের ট্রাভেল পারমিট দেয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার তামাবিল চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
অঞ্জনা ভৌমিক ভারতের আসাম রাজ্যের কামরূপ জেলার আজেরা এলাকার বাসিন্দা। মরদেহের সঙ্গে তার বোন শান্তা ভৌমিকও ভারতে ফিরে গেছেন।




