মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর নদীতে পর্যটকদের ঘোরাফেরা নিষিদ্ধ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর নদীতে পর্যটকদের ঘোরাফেরা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে বলেও প্রশাসন জানিয়েছে।
বুধবার ২৮ অক্টোবর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকা পরিদর্শন শেষে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ফারজানা ববি মিতু।
ইউএনও ফারজানা ববি মিতু বলেন, পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মা সেতুর পিলারসংলগ্ন এলাকার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পদ্মা সেতুর পিলারসংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে বলে জানান ইউএনও। পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬টার পর পর্যটকেরা যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরাও পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন।




