রাসেল ব্র্যান্ড ধর্ষক নন, 'না' বললে সম্মান করেন: আদালতে আইনজীবীর দাবি

ব্রিটিশ কৌতুকশিল্পী রাসেল ব্র্যান্ড ধর্ষণ করেন এমন মানসিক বিকারগ্রস্ত ব্যক্তি নন এবং নারীরা 'না' বললে তিনি তা সম্মান করেন — লন্ডনের সাউদার্ক ক্রাউন কোর্টে বিচারের সমাপনী বক্তব্যে এ দাবি করেছেন তার আইনজীবী।
ব্র্যান্ডের আইনজীবী ইয়ান উইন্টার কেসি বলেন, ২০২৩ সালে ব্র্যান্ডের যৌন আচরণ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো ন্যায়বিচারের পরিবেশকে 'বিষাক্ত' করে তুলেছে।
৫১ বছর বয়সী ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে ছয় নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নসহ সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছে; অভিযোগগুলো ১৯৯৯ সাল থেকে শুরু করে ১০ বছর সময়ের ঘটনা নিয়ে। ব্র্যান্ড সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সোমবার সমাপনী বক্তব্যে উইন্টার প্রশ্ন তোলেন, ওই সময়ে ব্র্যান্ড যেসব নারীর সঙ্গে সম্পর্ক করেছেন, তাদের মধ্যে মাত্র তিনজন কেন সম্মতি না থাকার অভিযোগ করেছেন।
তিনি বলেন, ব্র্যান্ডের প্রচুর যৌন সম্পর্ক ছিল, কিন্তু তার কোনোটিই বেআইনি ছিল না। অত্যন্ত অবাধ যৌনজীবন যাপন করা সম্পূর্ণ বৈধ, নৈতিকভাবে তা কারও অপছন্দ হলেও।
উইন্টারের ভাষ্য, ২০২৩ সালে চ্যানেল ফোরের 'ডিসপ্যাচেস' প্রামাণ্যচিত্র এবং টাইমস ও সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ প্রকাশের পরই নারীরা অভিযোগ নিয়ে এগিয়ে আসেন। নারীদের পুলিশের কাছে যেতে 'ভয়াবহ বিলম্ব' হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সমাপনী বক্তব্যের শুরুতে উইন্টার ১৮৬৪ সালে ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক জন হেনরি নিউম্যানের একটি উদ্ধৃতি পড়ে শোনান, যেখানে 'কূপে বিষ মেশানো'র কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে শুক্রবার সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রিয়েল কারমি-জোন্স কেসি অস্বীকার করেন যে ২০২৩ সালের প্রতিবেদনগুলো ছয়জন যুক্তিবাদী নারীর মনে এমন প্রভাব ফেলেছে যে তারা তাদের অভিজ্ঞতা উদ্ভাবন করেছেন কিংবা নতুন করে সাজিয়েছেন।




