কর্মকর্তাদের কাছে শত শত গুঁড়োভরা চিঠি পাঠানোর অভিযোগে ওকলাহোমার ব্যক্তি গ্রেপ্তার, অভিযোগ গঠন

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্তৃপক্ষ ওকলাহোমার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২৪ ও ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে সন্দেহজনক সাদা গুঁড়োভরা শত শত চিঠি পাঠানোর অভিযোগ এনেছে।
অভিযুক্তের নাম রবিন মার্টিন। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়া আতঙ্ক ছড়ানো ও ডাকযোগে হুমকিমূলক বার্তা পাঠানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ওকলাহোমা সিটিতে তাঁর প্রাথমিক আদালত হাজিরার কথা রয়েছে। অনলাইন নথিতে তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবীর নাম উল্লেখ নেই।
এফবিআইয়ের আদালতে জমা দেওয়া নথি অনুযায়ী, গুঁড়োগুলো শেষ পর্যন্ত ইস্ট বা ময়দা বলে পাওয়া গেছে, যদিও সব চিঠি এখনো পুরোপুরি পরীক্ষা করা হয়নি।
একজন ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সোমবার ভোরে ওকলাহোমা সিটি থেকে এফবিআই গ্রেপ্তার করে। চিঠিগুলো ১০০টির বেশি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল, যার মধ্যে একাধিক সেক্রেটারি অব স্টেট ও নির্বাচনী কার্যালয় রয়েছে।
তদন্তে নেতৃত্ব দিয়েছে এফবিআইয়ের ওকলাহোমা সিটি ফিল্ড অফিস, এফবিআই ক্রিমিনাল ডিভিশন, যুক্তরাষ্ট্রের পোস্টাল ইনস্পেকশন সার্ভিস, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল পুলিশ এবং ওকলাহোমা সিটি পুলিশ বিভাগ।
ফেডারেল কর্তৃপক্ষ গত মাসে ঘোষণা করেছিল, সারা দেশে কংগ্রেস ও নির্বাচনী কার্যালয়গুলোতে ‘সন্দেহজনক পদার্থ’ পাঠানো চিঠিগুলো তারা তদন্ত করছে এবং প্রাপকদের চিঠিগুলোকে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিল।
সিনেটের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মসের একটি বার্তায় বলা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা আরও চিঠি আটকানোর চেষ্টা করছেন, তবে ‘কিছু চিঠি গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারে’।
এফবিআই গত ২৩ অক্টোবরের এক সতর্কবার্তায় বলেছিল, ওই সময় পর্যন্ত পরীক্ষা করা সন্দেহজনক পদার্থে কোনো বিপজ্জনক উপাদান শনাক্ত হয়নি, যদিও পরীক্ষাগারের পরীক্ষা তখনো চলছিল।
ক্যাপিটল পুলিশ সিনেটর লিসা ব্লান্ট রচেস্টারের ডেলাওয়্যার কার্যালয়ের ঠিকানায় পাঠানো একটি চিঠি আটকায়, আর সিনেটর অ্যালেক্স প্যাডিলা ও কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ডের কার্যালয়ের ঠিকানায় পাঠানো সন্দেহজনক ডাক ডাক কর্তৃপক্ষ আটকায়।
২০২৪ সালের নির্বাচন চক্রে ১৫টির বেশি রাজ্যের নির্বাচনী কার্যালয়ে একই ধরনের সন্দেহজনক চিঠি পাঠানো হয়েছিল, যাতে ভবন খালি করা ও বিপজ্জনক পদার্থ মোকাবিলা দল ডাকার ঘটনা ঘটেছিল। তখন কিছু পদার্থ ক্ষতিহীন বলে পাওয়া গিয়েছিল।




