ঢাবির ভাস্কর্য বিভাগে কাওসার হাসানের চেয়ারম্যান নিয়োগের চিঠি নিয়ে হাইকোর্টের রুল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে আবু আবেদীন মো. কাওসার হাসানের নিয়োগসংক্রান্ত চিঠি কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই রুল দেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাওসার হাসানকে নিয়োগ দেয়। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে এই নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করেন একই বিভাগের শিক্ষক লালা রুখ সেলিম।
রিট আবেদন থেকে জানা যায়, বিভাগটির বিদায়ী চেয়ারম্যানের তিন বছরের মেয়াদ গত ২৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কোনো বিভাগের চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষের এক মাস আগে কর্তৃপক্ষ দায়িত্বে থাকা চেয়ারম্যানকে পরবর্তী চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়ে অবহিত করে থাকে, যা এই ক্ষেত্রে হয়নি।
দায়িত্বরত চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভাস্কর্য বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভা হয়। ওই সভায় জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে লালা রুখ সেলিমকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিতে রেজিস্ট্রারকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইয়াসির আরফাত খান ও আরিফুর রহমান।
আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে লালা রুখ সেলিমকে নিয়োগ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ-উপাচার্য (প্রশাসন), রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ভাস্কর্য বিভাগের চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।




