নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তোলার আহ্বান এমপি জহিরুল ইসলামের
নতুন প্রজন্মকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বাঁশখালীর সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম। শনিবার (৭ নভেম্বর) বাঁশখালীর কালীপুর এলাকায় অবস্থিত রমিজ উদ্দিন শাহ দারুল কোরআন ইসলামিয়া মাদরাসা, এতিমখানা ও হেফজখানার বার্ষিক সভা ও মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা কোনোভাবেই বিপথে পরিচালিত না হয়। জ্ঞান মানুষকে সত্য-মিথ্যা এবং ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে শেখায়। জ্ঞানের মাধ্যমেই মানুষ নিজেকে চেনার পাশাপাশি সৃষ্টিকর্তাকেও চিনতে পারে।
ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন-অগ্রগতিতেও জ্ঞানের ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন এমপি। তিনি বলেন, ইসলাম জ্ঞান অর্জনকে ফরজ করেছে। কারণ জ্ঞান ছাড়া সত্য ও মিথ্যা, ন্যায় ও অন্যায় এবং ভালো ও মন্দের পার্থক্য অনুধাবন করা সম্ভব নয়।
জ্ঞান মানুষকে আলোকিত করে, বিবেক জাগ্রত করে এবং সঠিক পথে চলার দিকনির্দেশনা দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাই নতুন প্রজন্মকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা জরুরি।
একটি আদর্শ সমাজ ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন এমপি জহিরুল ইসলাম। এ ক্ষেত্রে রমিজ উদ্দিন শাহ দারুল কোরআন ইসলামিয়া মাদরাসা, এতিমখানা ও হেফজখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বার্ষিক সভা ও মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদ, অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম, মাওলানা এনামুল হক জিহাদী, মাওলানা মীর আহমদ আনছারী ও মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার, নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা এবং নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার আলোয় আলোকিত প্রজন্মই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে এমপি নির্মিতব্য মাদরাসা ভবন পরিদর্শন করেন এবং আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মাদরাসার কৃতী ছাত্রছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


