ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ কৃতী শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত, মিলনায়তনে সংবর্ধনা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সিভিল জজ পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এই সাফল্যে ক্যাম্পাসজুড়ে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আইন অনুষদের উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত জজদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান।
এ সময় আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন, ল' এন্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাব এবং আল ফিকহ এন্ড ল' বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেনসহ তিন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান সুপারিশপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অকৃত্রিম শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, দেশের প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
উপাচার্য বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় দেশের সব শ্রেণির মানুষের অবদান রয়েছে; সেই বিবেচনায় দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবার ওপরে সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন—তা বিবেচনায় বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে দায়িত্ব পালন করা উচিত বলে তিনি সুপারিশপ্রাপ্তদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গুরুত্ব দিচ্ছে। জব কর্নার-২-এর কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
পরিকল্পনা রয়েছে লাইব্রেরির দ্বিতীয় তলার পুরোটাই জব কর্নারে রূপান্তর করার, যাতে শিক্ষার্থীরা সেখানে নিজেদের ক্যারিয়ার গঠনে প্রস্তুতি নিতে পারেন—উপাচার্যের বক্তব্যে এই পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে।
একসঙ্গে ১৯ শিক্ষার্থীর সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শিক্ষার জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এই সাফল্য জুনিয়র শিক্ষার্থীদের বিচার বিভাগীয় চাকরির প্রস্তুতিতে অনুপ্রাণিত করবে বলেও মনে করছেন অনেকে।






