মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের উইকেট নিয়ে মুখ খুললেন না শান্ত, বললেন দলকে মানায় এমন কন্ডিশনেই যাবে বাংলাদেশ

বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচের আগে মিরপুরের উইকেট কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা চললেও উইকেটের ধরন স্পষ্ট করে বলতে রাজি হননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত জানিয়েছেন, দলের জন্য সহায়ক কন্ডিশন বিবেচনা করেই পরিকল্পনা সাজাবে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেসারদের সাফল্যের পর এবার মিরপুরের উইকেট কেবল স্পিননির্ভর হবে, নাকি পেসারদের জন্যও সহায়তা থাকবে, তা নিয়ে বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের তত্ত্বাবধানে মিরপুরের একাডেমি মাঠে অনুশীলন করেছে পুরো বাংলাদেশ দল। নেটে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হকসহ দলের ব্যাটাররা, আর বোলাররাও নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছেন আসন্ন টেস্টের জন্য।
অনুশীলনে ব্যাটারদের ভুলত্রুটি শুধরে দিতে দেখা গেছে নতুন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনকে। ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই নিজেদের প্রস্তুত করে নেওয়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ম্যাচের আগের দিন অনুশীলন করেনি সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল।
দিনের আলোচনার কেন্দ্রে ছিল মিরপুরের সেন্টার উইকেট। অনুশীলনের আগে সেখানে পিচ কিউরেটর টনি হেমিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন অধিনায়ক শান্ত, প্রধান কোচ ফিল সিমন্স ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।
সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও নির্বাচক নাঈম ইসলামের সঙ্গে আবারও উইকেটের পাশে সময় কাটাতে দেখা যায় শান্ত ও সিমন্সকে।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ এই সিরিজে ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে উইকেটের চরিত্র ও ম্যাচের কন্ডিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উপাদানে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উইকেটের ধরন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্ত কৌশলগত অবস্থান পরিষ্কার করেননি। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই আমাদের এখন দেখেন, পেস এবং স্পিন বল দুই দিকেই আমরা ভালো অবস্থানে আছি। সো, এটা আমি এখানে বলতে চাই না। আমার মনে হয় যে কন্ডিশনটা আমাদের স্যুট করবে, ওই অনুযায়ী আমরা যাব।’
শান্তর এই বক্তব্যে প্রতিপক্ষের সামনে উইকেট নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা প্রকাশ না করার অবস্থানই স্পষ্ট হয়েছে। পেস ও স্পিন দুই বিভাগেই দলের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখে কন্ডিশন অনুযায়ী কৌশল নির্ধারণের দিকে নজর দিয়েছেন স্বাগতিক অধিনায়ক।

