মেক্সিকান কার্টেলের উত্থানে মার্কিন অস্ত্রকে দায়ী করলেন সিনেট প্রার্থী এল-সায়েদ, জোর দিলেন কূটনীতিতে

মিশিগানের ডেমোক্র্যাটিক দলের সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদ বুধবার ‘দ্য মোমেন্ট পডকাস্ট’-এ মেক্সিকান মাদক কার্টেল মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের করণীয় নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি যুদ্ধের মতো পদক্ষেপের বদলে কূটনীতির আহ্বান জানিয়েছেন।
পডকাস্টে সহ-সঞ্চালক হোর্হে রামোস ও পাওলা রামোস তাঁকে ২০২৫ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের মেক্সিকান কার্টেলবিরোধী পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রশ্ন করেন।
তিনি সেনা বা ড্রোন ব্যবহার সমর্থন করবেন কি না—এমন প্রশ্নে এল-সায়েদ ধারণাটি প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, কার্টেলগুলোর উত্থানে যুক্তরাষ্ট্রেরও কিছু দায় আছে।
এল-সায়েদ বলেন, ‘স্পষ্ট করে বলা যাক, আমেরিকায় তৈরি অস্ত্র কার্টেলগুলোর অনেকটার জন্য দায়ী।’
তিনি সীমান্ত পেরিয়ে মাদক ও অস্ত্রের প্রবাহ মোকাবিলায় কূটনৈতিকভাবে কাজ করার এবং মার্কিন অস্ত্র জড়িত ‘কার্টেল আচরণ’ নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর জোর দেন।
এল-সায়েদ বলেন, ‘কার্টেল নিয়ন্ত্রণে রাখা মানে এই নয় যে আমরা সীমান্তের দক্ষিণে গিয়ে যুদ্ধের মতো পদক্ষেপ নেব। এর মানে মেক্সিকান অংশীদারদের পাশে থেকে কাজ করা—কোন অস্ত্রের প্রবাহ পরবর্তী সময়ে কার্টেল আচরণে রূপ নিতে পারে, তা জিজ্ঞাসা করা।’ তিনি আরও বলেন, ফেন্টানিলের উত্তরমুখী প্রবাহ কীভাবে থামানো যায়, তা নিয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
এল-সায়েদের প্রচার শিবির ফক্স নিউজ ডিজিটালকে তাঁর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, তিনি কার্টেল দমনে মেক্সিকো সরকারের সঙ্গে কাজ করে সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র ও অবৈধ মাদকের প্রবাহ রোধের কথা বলছিলেন।
এর আগে এল-সায়েদ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ফক্স নিউজ ডিজিটাল হোয়াইট হাউস ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্তব্য চেয়েছে, তবে তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পায়নি।
এল-সায়েদের এই মন্তব্য আসে এক মাস পর, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ট্রেজারি বিভাগের মাধ্যমে সিনালোয়া কার্টেলের লস মায়োস গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ২১ ব্যক্তি ও ২৫ প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট সে সময় ফক্স নিউজ ডিজিটালকে বলেছিলেন, এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে কোনো কার্টেল নেতা, দুর্নীতিগ্রস্ত মেক্সিকান সরকারি কর্মকর্তা বা আর্থিক সহায়তাকারী ট্রেজারির ক্ষমতার নাগালের বাইরে নন।



