আরব দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের আহ্বান ইসরায়েলি মন্ত্রী বেন-গভিরের, প্রমাণ ছাড়াই বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ

ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির আরব রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছেন। গ্রেপ্তারের পক্ষে তিনি বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ তুলেছেন, তবে এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেননি।
বৃহস্পতিবার এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। পোস্টে বেন-গভির বলেন, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা ‘শিন বেট’-এর উচিত আজ সকালের মধ্যেই কাতার থেকে অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আরব দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া।
শিন বেট এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এর আগে ইসরায়েলি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি জানিয়েছিল, নির্বাচনে জালিয়াতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সদ্য শেষ হওয়া ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে দেশটির আরব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভোট দেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, অথচ ঐতিহাসিকভাবে ইহুদি ইসরায়েলিদের তুলনায় তাদের মধ্যে ভোট দেওয়ার হার কম ছিল।
ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকরা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোটকে ক্ষমতাচ্যুত করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁরা ভোট দিয়েছেন।
নির্বাচনে সরকার গঠনের জন্য কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ৯১ শতাংশ ভোট গণনা শেষে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন এবং দুটি প্রধান আরব দল ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ও ‘রাআম’ যৌথভাবে পেয়েছে ১৯টি আসন।
আরব দলগুলোর এই উত্থানে ক্ষুব্ধ হয়েছে কট্টর ইহুদিবাদী দলগুলো, আর সেই প্রেক্ষাপটেই বেন-গভিরের গ্রেপ্তারের আহ্বান এলো।




