ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ১৫৪ কেন্দ্রে বিএনপির মির্জা ফয়সল ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৭ ভোটে এগিয়ে, জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৩১

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পথে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৫৪টির ফলাফল পাওয়া গেছে; এসব কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল পেয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৭ ভোট।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৩১ ভোট। অর্থাৎ ১৫৪ কেন্দ্রের হিসাবে মির্জা ফয়সলের ভোট জামায়াত প্রার্থীর ভোটের দ্বিগুণেরও বেশি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। পরে একে একে কেন্দ্রগুলো থেকে ফলাফল আসতে শুরু করে।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী এলাকায় মোট ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভূল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্র রয়েছে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার প্রায় ৬২ শতাংশ ভোট পড়েছে।
উপনির্বাচনে প্রার্থীরা হলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।
১৫৪ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার পর বাকি ৩১টি কেন্দ্রের ফলাফল আসা বাকি রয়েছে। ঘোষিত হিসাবে মির্জা ফয়সলের এগিয়ে থাকা ব্যবধান এতটাই বড় যে, প্রতিবেদনটিতে তাঁকে বিপুল ভোটে জয়ের পথে থাকা প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।




