সিলেট বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,২০৪ জন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। এই বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী।
সিলেট বোর্ডের এই পাসের হার গত ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। ফলে এবারের ফলাফলে সিলেট বোর্ডে পাসের হারে বড় পতন দেখা গেছে।
সারা দেশের চিত্রও একই রকম। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
গত বছরের চেয়ে এবার দেশে পাসের হার কমেছে। ২০২৫ সালে দেশে পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। এবারের পরীক্ষায় সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার কিছু আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে।
এবারই প্রথম ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়। এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ জুলাই, শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা পিছিয়ে যায়, ফলে সেখানে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
সিলেট বোর্ডের শিক্ষার্থীরাসহ সব পরীক্ষার্থী শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। এসএমএসে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।



