বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের চেয়ে ফেল বেশি: ৩১ হাজার ৯১২ জন অকৃতকার্য, পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ

এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের চেয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হয়েছে। বোর্ডের অধীন ছয় জেলার ৩৫০টি কলেজ থেকে ৫৭ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২৫ হাজার ৯৭০ জন, আর অকৃতকার্য হয়েছে ৩১ হাজার ৯১২ জন। এবার পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫০ জন।
পাসের হার ও জিপিএ-৫ — দুই ক্ষেত্রেই ফলাফল বিপর্যয় হওয়ায় নগরীর কলেজ ক্যাম্পাসগুলো ছিল পরীক্ষার্থীশূন্য। প্রতিটি কলেজ ক্যাম্পাসে একই অবস্থা দেখা গেছে বলে জানা গেছে।
শিক্ষাবোর্ডের অধীন জেলাভিত্তিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে পিরোজপুর জেলা। ওই জেলার ৪৭টি কলেজ থেকে ৬ হাজার ৭৮২ জন অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩ হাজার ৪৯৬ জন।
বরিশাল জেলার ১০৭টি কলেজ থেকে ২০ হাজার ৯২৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১০ হাজার ৪৫৩ জন। বরগুনা জেলার ৩৬টি কলেজ থেকে ৫ হাজার ৭৭৫ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ২ হাজার ৫৭৯ জন।
ভোলা জেলার ৫৯টি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৯ হাজার ৫৩৯ জন, পাস করেছে ৩ হাজার ৭৭২ জন। পটুয়াখালী জেলার ৭০টি কলেজ থেকে অংশ নিয়েছে ১০ হাজার ৪৩০ জন, পাস করেছে ৪ হাজার ১৭ জন। ঝালকাঠি জেলার ৩১টি কলেজ থেকে ৪ হাজার ৪৫৭ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ১ হাজার ৬৫৩ জন।
এ বছর বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের অধীন ১১টি কলেজ থেকে ৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে একজনও পাস করতে পারেনি।
অপরদিকে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ওই কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৪১ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ৫ জন অংশ নিয়ে সকলে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এই ফলাফলের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এটিএম মোয়াজ্জেম হোসেন।
বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর শরীফ মোর্শেদ রেজা বলেন, ‘ফলাফল বিপর্যয়ের মূল কারণ হচ্ছে মানসম্মত ক্লাসরুম শিক্ষা না থাকা, একই সঙ্গে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাব।’




