সিলেটের ছাতকসহ আশপাশে ১৬ ঘণ্টায় ছয়বার ভূমিকম্প, দুটির উৎপত্তি ছাতকেই

সিলেটসহ আশপাশের এলাকায় ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ছয়টি ভূমিকম্প হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত থেকে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত এই ছয়টি কম্পন রেকর্ড করা হয়। তবে ভূমিকম্পগুলোর মাত্রা তুলনামূলক কম হওয়ায় অনেকেই তা অনুভব করতে পারেননি।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর ২টা ১৯ মিনিটে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে ২৮ কিলোমিটার পশ্চিমে ২ দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫ কিলোমিটার গভীরে।
এর আগে একই দিন সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছাতক থেকে ২৮ কিলোমিটার পশ্চিমে ৩ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। সেই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২৫ কিলোমিটার গভীরে। অর্থাৎ ছয়টি ভূমিকম্পের মধ্যে দুটিরই উৎপত্তি ছিল ছাতক এলাকায়।
শনিবার সকাল ১০টা ১৬ মিনিটে ভারতের মণিপুরের থৌবাল থেকে ৭৪ কিলোমিটার পূর্বে ৩ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। একই দিন সকাল ৭টা ১৩ মিনিটে ভারতের আসামের রাঙাপাড়া থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তরে ২ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।
শুক্রবার রাত ৮টা ৩৯ মিনিটে ভারতের আসামের রাঙাপাড়া থেকে ৪৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এর ছয় মিনিট পর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের মাওলাইকের ৪৫ কিলোমিটার পশ্চিমে ৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়।
সব মিলিয়ে ছয়টি ভূমিকম্পের মধ্যে দুটি সিলেটের ছাতক এলাকায়, দুটি ভারতের আসামে, একটি মণিপুরে এবং একটি মিয়ানমারে উৎপত্তি হয়েছে বলে ইএমএসসির তথ্যে বলা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিলেট কার্যালয় থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা দরজা-জানালায় শব্দ ও কম্পন অনুভব করার কথা জানিয়েছেন। তবে এসব শব্দ ও কম্পনের প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো ভূমিকম্পের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।




