…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › স্বাস্থ্য › খবর
স্বাস্থ্য

বছরে ৮–১০ লাখ ইউনিট রক্তের চাহিদা, স্বেচ্ছায় মেলে মাত্র ৩০ শতাংশ; কর্নিয়ার অপেক্ষায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বছরে ৮–১০ লাখ ইউনিট রক্তের চাহিদা, স্বেচ্ছায় মেলে মাত্র ৩০ শতাংশ; কর্নিয়ার অপেক্ষায় পাঁচ লাখের বেশি মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছেন একজন রোগী। অস্ত্রোপচারের জন্য রক্ত প্রয়োজন, চিকিৎসকেরা প্রস্তুত, কিন্তু প্রয়োজনীয় রক্তের ব্যবস্থা করতে পারছেন না স্বজনরা। কখনো পরিচিতজন, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রক্তদাতার খোঁজ করছেন তাঁরা। অন্যদিকে কর্নিয়ার সমস্যায় দৃষ্টিশক্তি হারানো একজন মানুষ অপেক্ষা করছেন নতুন করে পৃথিবী দেখার সুযোগের জন্য — তাঁর চোখে আলো ফেরাতে প্রয়োজন অন্য একজন মানুষের মৃত্যুর পর দান করা কর্নিয়া। দেশের হাসপাতালগুলোতে এমন পরিস্থিতি নতুন নয়।

বাংলাদেশে প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ লাখ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এর মাত্র ৩০ শতাংশ সংগ্রহ হয় স্বেচ্ছায় ও বিনা পারিশ্রমিকে রক্তদাতাদের কাছ থেকে। আর কর্নিয়াজনিত অন্ধত্বে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা পাঁচ লাখের বেশি। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির হিসাবে, বছরে গড়ে মাত্র ৫০টি কর্নিয়া সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।

রক্ত ও কর্নিয়ার এই সংকটের পেছনে রয়েছে নিয়মিত স্বেচ্ছাদাতার অভাব, পর্যাপ্ত সচেতনতা না থাকা এবং সংগ্রহ ও সরবরাহব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা। এমন বাস্তবতায় সোমবার (২ নভেম্বর) পালিত হচ্ছে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। ১৯৭৮ সালের এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানী। সেই উদ্যোগের স্মরণে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

অস্ত্রোপচার, দুর্ঘটনা, প্রসবকালীন জটিলতা কিংবা থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগের চিকিৎসায় রক্তের প্রয়োজন হয়। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্ত পরিসঞ্চালন ছাড়া চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ফলে রক্তের চাহিদা সারা বছরই থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লাখ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন। এর মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ আসে স্বেচ্ছায় ও বিনা পারিশ্রমিকে রক্তদাতাদের কাছ থেকে। বাকি রক্তের বড় অংশ সংগ্রহ করা হয় রোগীর স্বজন ও পরিচিতজনদের মাধ্যমে।

স্বেচ্ছায় রক্তদানের হার কম হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর পরিবারকে বিপাকে পড়তে হয়। বিশেষ করে বিরল রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে দাতা খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় চিকিৎসার পাশাপাশি স্বজনদের বড় একটি অংশ ব্যয় করতে হয় রক্ত সংগ্রহের পেছনে।

রক্ত ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা উঠে এসেছে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায়। বিএমসি হেলথ সার্ভিসেস রিসার্চ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় দেশের ২০১টি রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আট বিভাগের ১৭টি জেলার সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। গবেষণায় দেখা যায়, পর্যবেক্ষণ করা কেন্দ্রগুলোতে রোগীর স্বজনদের মাধ্যমে সংগৃহীত রক্তের মধ্যম পরিমাণ ছিল ৭৭৪ ইউনিট; অন্যদিকে স্বেচ্ছায় ও বিনা পারিশ্রমিকে রক্তদানের ক্ষেত্রে এ পরিমাণ ছিল ৪০৪ ইউনিট।

রক্ত পরিসঞ্চালন ব্যবস্থার মান নিয়েও উদ্বেগজনক তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া সরকারি হাসপাতালের প্রায় ৭০ শতাংশ এবং বেসরকারি হাসপাতালের ৩৪ শতাংশে মানসম্মত পরিচালন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না। রক্ত পরিসঞ্চালন কমিটি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাতেও ঘাটতি রয়েছে। গবেষকদের মতে, নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন নিশ্চিত করতে শুধু রক্তদাতা বাড়ালেই হবে না; রক্ত সংগ্রহ, পরীক্ষা, সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকি জোরদার করতে হবে।

জরুরি সময়ে রক্তদাতা খুঁজে পাওয়ার ভোগান্তি কমাতে ‘ওয়ান ব্লাড নেটওয়ার্ক’ নামে সমন্বিত রক্ত সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয় সরকার। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় ২০২৫ সালে এই উদ্যোগের কাজ শুরু হয়। পরিকল্পনায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার, মোবাইল ব্লাড ভ্যান এবং ঢাকাসহ ছয়টি বিভাগীয় শহরে জাতীয় ট্রান্সফিউশন সেন্টার হাব গড়ে তোলার কথা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় তিন লাখ রক্তদাতার তথ্য নিয়ে একটি সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরির কাজও শুরু হয়েছিল।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে নিবন্ধিত রক্তদাতাদের তথ্য ব্যবহার করে জরুরি প্রয়োজনে নির্দিষ্ট রক্তের গ্রুপের দাতাকে খুঁজে পাওয়ার ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা হয়েছে। স্মার্টফোন না থাকলেও সাধারণ মোবাইল ফোনে ইউএসএসডি কোড ব্যবহার করে এই সেবা নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, আর এসএমএসের মাধ্যমেও রক্তদাতার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি পরিকল্পনায় আছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)-এর মতো বড় হাসপাতালে মোবাইল ব্লাড ভ্যান রাখার কথাও ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, মোবাইল ব্লাড ভ্যানের কার্যক্রম কিংবা পরিকল্পিত ট্রান্সফিউশন সেন্টারগুলো চালুর বিষয়ে আশানুরূপ অগ্রগতি নেই, আর এসব পরিকল্পনা এখনো আলোর মুখ দেখেনি।

কর্নিয়ার চিত্র আরও করুণ। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ কর্নিয়াজনিত অন্ধত্বে ভুগছেন। প্রতিবছর নতুন করে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অথচ সংগঠনটি বছরে গড়ে মাত্র ৫০টি কর্নিয়া সংগ্রহ করতে পারে। চোখের সামনের স্বচ্ছ অংশের নাম কর্নিয়া; বিভিন্ন কারণে এটি অস্বচ্ছ হয়ে গেলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করে দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৪ সালে কার্যক্রম শুরুর পর ২০২৩ সাল পর্যন্ত সংগঠনটি ৪ হাজার ২০৪টি কর্নিয়া সংগ্রহ করেছে। এর মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৪০ জনের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর কর্নিয়া স্থাপনের সংখ্যা এক হাজারের বেশি নয়।

মরণোত্তর চক্ষুদানের ক্ষেত্রে বড় বাধা সামাজিক ও ধর্মীয় ভুল ধারণা। অনেকেই মনে করেন, মৃত্যুর পর চোখ বা কর্নিয়া দান করলে মরদেহের স্বাভাবিক অবয়ব নষ্ট হয়ে যায়। আবার ধর্মীয় কারণে চক্ষুদান করা যাবে কি না, তা নিয়েও অনেকের মধ্যে দ্বিধা রয়েছে। সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির তথ্য অনুযায়ী, জীবিত অবস্থায় কেউ মৃত্যুর পর কর্নিয়া দানের অঙ্গীকার করতে পারেন। এমনকি মৃত ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় অঙ্গীকার না করলেও আইনানুগ নিকটাত্মীয়ের সম্মতিতে কর্নিয়া সংগ্রহ করা সম্ভব। মৃত্যুর পর সাধারণত ছয় থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে কর্নিয়া সংগ্রহ করতে হয়, তাই পরিবারের সম্মতি ও দ্রুত যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের অন্যতম বাধা জনসচেতনতার অভাব, সামাজিক ভ্রান্ত ধারণা এবং পর্যাপ্ত দাতা না পাওয়া। তিনি জানান, সন্ধানী চক্ষুব্যাংকের প্রশিক্ষিত কাউন্সেলররা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত ব্যক্তির স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চক্ষুদান বিষয়ে পরামর্শ দেন এবং কর্নিয়া সংগ্রহে সহযোগিতা করেন।

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় সরকারের কাছে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে — দিবসটির রাষ্ট্রীয় উদযাপনের মর্যাদা ‘গ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘খ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা, বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে কর্নিয়া সংগ্রহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা নিশ্চিত করা, চক্ষুদানবিষয়ক তথ্য ও সহায়তার জন্য টোল-ফ্রি হটলাইন চালু করা এবং টেলিভিশনে বিনা মূল্যে প্রচারের জন্য সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান বা প্রচারবার্তা তৈরি করা।

সংগঠনটি বলছে, রক্তদানের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে নিয়মিত দাতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে। আর চক্ষুদানের ক্ষেত্রে পরিবারকে আগে থেকে সচেতন করা এবং হাসপাতালগুলোতে দ্রুত কর্নিয়া সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, দেশে রক্তের চাহিদা থাকলেও স্বেচ্ছায় ও বিনা পারিশ্রমিকে রক্তদানের মাধ্যমে সংগৃহীত রক্তের পরিমাণ এখনো সীমিত; একইভাবে কর্নিয়াজনিত অন্ধত্বে আক্রান্ত বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত কর্নিয়া পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে নিয়মিত রক্তদাতা তৈরি এবং মরণোত্তর চক্ষুদানের বিষয়ে মানুষের মধ্যে অঙ্গীকার তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুধু ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের মধ্যে চক্ষুদান কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; মৃত্যুর পর দ্রুত কর্নিয়া সংগ্রহের জন্য হাসপাতালভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবারের সদস্যদের আগেই চক্ষুদানের বিষয়ে জানিয়ে রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের আরও খবর

স্বাস্থ্য

হাসপাতালে চিকিৎসক-নার্স সংকট দ্রুত নিরসনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর…

হার্ভার্ডের লিড ফেলোশিপে আবেদন শুরু, কেমব্রিজে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণসহ যেসব সুবিধা মিলবে
স্বাস্থ্য

হার্ভার্ডের লিড ফেলোশিপে আবেদন শুরু, কেমব্রিজে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণসহ যেসব সুবিধা মিলবে

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষের জন্য তাদের মর্যাদাপূর্ণ লিড (LEAD) ফেলোশিপ প্রোগ্রামে আবেদন আহ্বান করেছে। LEAD শব্দের পূর্ণরূপ Learn, En…

স্ট্রোক চেনার ছয় লক্ষণ: ‘বি ফাস্ট’ মনে রাখলেই বাঁচতে পারে জীবন
স্বাস্থ্য

স্ট্রোক চেনার ছয় লক্ষণ: ‘বি ফাস্ট’ মনে রাখলেই বাঁচতে পারে জীবন

স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত চিনতে পারলে জীবন বাঁচানো এবং স্থায়ী মস্তিষ্কের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব—এমনটাই বলছে আমেরিকান স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটির পরামর্শ…

হাঁটার গতিতেই লুকিয়ে থাকতে পারে আয়ুর ইঙ্গিত, বলছে ৪ হাজারের বেশি বয়স্ক মানুষের ওপর গবেষণা
স্বাস্থ্য

হাঁটার গতিতেই লুকিয়ে থাকতে পারে আয়ুর ইঙ্গিত, বলছে ৪ হাজারের বেশি বয়স্ক মানুষের ওপর গবেষণা

মানুষ সাধারণত যে গতিতে হাঁটে, তা তার সার্বিক স্বাস্থ্য ও আয়ু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে—এমনটাই বলছে নতুন এক গবেষণা। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়…