খুলনায় তাঁতি দল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

খুলনা মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১ নভেম্বর) রাতে নিহতের ছেলে সৈয়দ নুর আমিন সৌহার্ত্য বাদী হয়ে আড়ংঘাটা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ছাত্রদল নেতা আরাফাতসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে দুই-তিনজনকে।
পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামি শেখ সিদ্দিককে (৫৩) গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হালিমুর রহমান এসব তথ্য জানান। গ্রেপ্তার শেখ সিদ্দিক রায়েরমহল পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত শেখ ইদ্রিস আলী ওরফে ইদিল ফকিরের ছেলে।
নিহত হুমায়ুন কবির রায়ের মহল বড় মসজিদ এলাকার সৈয়দ আনোয়ার আলীর পুত্র। আসামিদের গ্রেপ্তারে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হচ্ছে না উল্লেখ করে ওসি হালিমুর রহমান জানান, ছাত্রদলের আরাফাতসহ অন্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, রবিবার চার-পাঁচজন দুষ্কৃতকারী, যাদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা ছিল, ইজিবাইকে এসে হুমায়ুন কবিরের প্রতিষ্ঠান ‘আল-ক্যান্টিনো’ নামের রেস্তোরাঁয় অতর্কিত হামলা চালায়। সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী হামলায় জড়িতরা হলেন মইন, আরাফাত, ফায়েক ও বায়েজিদ; তাঁরা রায়ের মহল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
ছাত্রদলের আরাফাতের দোকান থেকে কেনা ফ্রিজের কিস্তির টাকা সময়মতো পরিশোধ না করায় রবিবার বিকেলে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে আরাফাত ও ফায়েকের তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এরপরই রাতে তাঁরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হুমায়ুন কবিরকে আঘাত করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হুমায়ুন কবিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাইপো সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব দাবি করেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ছোট চাচা হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা করেন এবং তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন।




