…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › শিক্ষা › খবর
শিক্ষা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কলেজে শিক্ষক ১৪ জন, এইচএসসিতে একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কলেজে শিক্ষক ১৪ জন, এইচএসসিতে একমাত্র পরীক্ষার্থীও পাস করেনি
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক রয়েছেন ১৪ জন। অথচ এই কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় একজন মাত্র পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, তিনিও পাস করতে পারেননি। এতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

প্রতিষ্ঠানটি মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রামে অবস্থিত। দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে। স্কুলের ১৪ জন শিক্ষকই এমপিওভুক্ত এবং বেতন-ভাতা পান।

২০০৯-১০ সালে কলেজ কার্যক্রম শুরু করে দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। কলেজটিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ রয়েছে। তবে স্কুল বিভাগের ১৪ জন শিক্ষক দিয়েই কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হয়।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শুধু মানবিক বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী অংশ নেন। বাকি দুই বিভাগে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি ছিল না।

গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত এইচএসসির ফলাফলে দেখা গেছে, সেই একমাত্র শিক্ষার্থীও ফেল করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অনেকে প্রতিষ্ঠানটির এমন অবস্থার জন্য পরিচালনা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানসহ শিক্ষকদের দায়ী করেছেন।

তবে কলেজটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। কলেজে একজনও শিক্ষার্থী নেই। কলেজের শ্রেণিকক্ষে চলছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। শিক্ষকরা বলেছেন, কাগজে-কলমে অধ্যক্ষসহ ১৪ জন শিক্ষক থাকলেও বাস্তবে কলেজে একজন শিক্ষকও নেই। বিদ্যালয়ের শিক্ষক দিয়ে চলে কলেজের পাঠদান। ফলে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলেও অন্যত্র পড়াশোনা করেন। বিগত বছরগুলোর কলেজের তথ্য চাইলে তা দিতে চাননি কলেজ কর্তৃপক্ষ।

স্কুলের শিক্ষকরা জানান, কাগজে-কলমে অধ্যক্ষসহ ১৪ জন শিক্ষক থাকলেও কলেজ শাখায় বাস্তবে কোনো শিক্ষক নেই। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দিয়ে কলেজের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফলে কলেজে ভর্তি হয়েও অনেক শিক্ষার্থী অন্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পড়াশোনা করেন।

স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক ও কলেজ শাখার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ঝর্ণা রানী বিশ্বাস বলেন, কলেজটি গ্রামীণ এলাকায় হওয়ায় ছাত্র তেমন পাওয়া যায় না। এজন্য শিক্ষকরাও কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারেও তাঁদের উৎসাহ নেই। তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জানিয়ে বলেন, প্রতিবছর নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করছেন তিনি।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিতোষ সরকার জানান, অনুমোদন নেওয়ার সময় শিক্ষক ছিল। এমপিও না হওয়ায় তাঁরা চলে গেছেন। তাঁর ভাষায়, এটি বন্ধ হয়ে গেলে ভালো।

সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তাঁরা জেনেছেন। কলেজটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে।

শিক্ষা বিভাগের আরও খবর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৬৮ শিক্ষার্থী ও ছয় শিক্ষক
শিক্ষা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৬৮ শিক্ষার্থী ও ছয় শিক্ষক

ভালো ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ৬৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে শিক…

শিক্ষা

ডিএসসিসি এলাকার শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ঘুরতে পারবে জাতীয় জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থাপনা, সমঝোতা স্মারক সই

শিক্ষার্থীদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দেশপ্রেম ও জাতীয় চেতনা বিকাশে যৌথ উদ্যোগ ন…

সীতাকুণ্ডে ছাত্রী নিহতের ঘটনায় ছয় ঘণ্টার অবরোধ প্রত্যাহার, ফুটওভার ব্রিজের আশ্বাস জেলা প্রশাসকের
শিক্ষা

সীতাকুণ্ডে ছাত্রী নিহতের ঘটনায় ছয় ঘণ্টার অবরোধ প্রত্যাহার, ফুটওভার ব্রিজের আশ্বাস জেলা প্রশাসকের

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের প্রায় ছয় ঘণ্টার মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ প্রত্যাহার করা হ…

রুয়েটে গবেষণার মান, শিল্পের সঙ্গে যোগ ও দ্রুত ফল প্রকাশে উপ-উপাচার্য আখতার হোসেনের পরিকল্পনা
শিক্ষা

রুয়েটে গবেষণার মান, শিল্পের সঙ্গে যোগ ও দ্রুত ফল প্রকাশে উপ-উপাচার্য আখতার হোসেনের পরিকল্পনা

দীর্ঘ এক যুগ পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আ…