নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় সরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষে কোচিং

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছুটির পর কোচিং করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি রুহিয়া উপজেলার ঢোলারহাট ইউনিয়নের আরাজী দক্ষিণ বঠিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। বিদ্যালয়টির ছুটির সময় বিকেল ৪টা, আর ছুটির পর বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোচিং করানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছুটির পর প্রাইভেট পড়ানো ও কোচিং করানো নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনাও রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, দুটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পড়াচ্ছেন একজন শিক্ষক। তিনি জানান, তিনি ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক নন, বাইরে থেকে এসেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দু-একজন ছাড়া কোচিংয়ে অংশ নেওয়া অন্য শিক্ষার্থীরা বাইরের।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দুলাল রব্বানী জানান, সামনে বার্ষিক পরীক্ষা। তাই শিশুরা এদিক-সেদিক ঘুরে না বেড়িয়ে তাদের পড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলফিকার রহমান অবগত আছেন বলেও তিনি জানান।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৫ সালের ১০ মার্চ এক অফিস আদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছুটির পর কিংবা বন্ধের দিনে প্রাইভেট পড়ানো ও কোচিং করানো নিষিদ্ধ করে।
ওই আদেশে বলা হয়, কোনো অবস্থাতেই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ প্রাইভেট পড়ানো বা কোচিংয়ের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দায়ী থাকবেন।
অধিদপ্তরের এমন নির্দেশনার পরও বিদ্যালয়টিতে কীভাবে কোচিং কার্যক্রম চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিদ্যালয়ে কোচিং পরিচালনার বিষয়ে জানতে সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলফিকার রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।




