সাভার-আশুলিয়ায় কারখানা ভাঙচুরে তিন মামলা, আসামি অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০-র বেশি, গ্রেপ্তার ১১

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে বিভিন্ন কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ হাজার ৩০০-র বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তিনটি মামলার মধ্যে সাভার মডেল থানায় একটি এবং আশুলিয়া থানায় দুটি মামলা হয়েছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনায় সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে আশুলিয়ার দুটি কারখানার কর্তৃপক্ষ মামলা দুটি করে। এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা ৮০০ থেকে ১ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে কারখানায় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে সাভারের একটি কারখানার কর্তৃপক্ষ মামলা করেছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরে সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় আরও একটি মামলা হয়েছে।
ওসি সাইফুল আলম জানান, বাসে আগুনের মামলায় অজ্ঞাতনামা ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান জানান, সাভার ও আশুলিয়ার ভাঙচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যে আশুলিয়া থানায় দুটি এবং সাভার থানায় একটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে টানা চতুর্থ দিনের মতো মঙ্গলবারও বিক্ষোভ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে এই অসন্তোষের মধ্যেই কারখানা ভাঙচুরের ঘটনাগুলো ঘটে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।



