শেষ মুহূর্তে ভালভার্দের গোলে এইকেকে হারাল রিয়াল, দুবার এগিয়েও ইস্তাম্বুলে হারল লিভারপুল

চ্যাম্পিয়নস লিগে রোমাঞ্চকর এক রাত কাটাল রিয়াল মাদ্রিদ। পিছিয়ে পড়েও এথেন্সের দল এইকেকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। অন্যদিকে ইস্তাম্বুলে ফেনেরবাচের কাছে একই ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে লিভারপুল; দুবার এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে অলরেডদের।
বুধবার রাতে এইকের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিকরা। ম্যাচের ১২ মিনিটে আবুবাকারি কোইতার গোলে এগিয়ে যায় তারা; বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া শটে পরাস্ত হন রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় রিয়াল। ৩২ মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার ক্রস থেকে দারুণ এক ব্যাকহিল শটে সমতা ফেরান জুড বেলিংহাম। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের লড়াই জমে ওঠে। ৭৫ মিনিটে স্তাভরোস পিলিওসের গোলে আবারও এগিয়ে যায় এইকে। তবে মাত্র তিন মিনিট পরই ডেনজেল ডামফ্রিসের ক্রস থেকে গোল করে রিয়ালকে সমতায় ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে দারুণ এক শটে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন ফেদেরিকো ভালভার্দে। তাঁর গোলে ৩-২ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। চার ম্যাচে চার জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা।
ইস্তাম্বুলে ফেনেরবাচের বিপক্ষে শুরুটা ভালোই করেছিল লিভারপুল। ২৫ মিনিটে ট্রে নিওনির গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে মাত্র চার মিনিট পরই ফ্রি-কিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান ম্যাসন গ্রিনউড।
দ্বিতীয়ার্ধে আবারও এগিয়ে যায় লিভারপুল। ৬৯ মিনিটে কোডি গাকপোর ক্রস থেকে হেডে গোল করেন আলেক্সান্ডার ইসাক। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি; চার মিনিট পর আর্চি ব্রাউনের গোলে আবারও সমতায় ফেরে ফেনেরবাচে।
এরপর ৭৯ মিনিটে ভেদাত মুরিকির হেডে জয়সূচক গোল পায় স্বাগতিকরা। ফলে ৩-২ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। এই হারে চ্যাম্পিয়নস লিগে তাদের টানা তিন জয়ের ধারাও থেমে গেছে।
অন্য ম্যাচে আরবি লাইপজিগকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি; ৭৮ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন আর্লিং হালান্ড। স্লাভিয়া প্রাগকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল। আর ফ্রান্সে লঁসকে ৯-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে রাতের সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছে কোমো।




