রাঙামাটি পৌর এলাকায় কোতোয়ালি পুলিশের অভিযানে সাত কিশোরসহ আটক ১৫

রাঙামাটিতে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে সাত কিশোরসহ ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, কিশোরদের বখাটে কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। বাকিদের মধ্যে অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজন, মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজন এবং বেসামাল অবস্থায় থাকায় তিনজন আটক হয়েছেন।
অপহরণসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক দুজন হলেন মো. মাসুম (২১) ও তাঁর বাবা মো. জাকির হোসেন (৪৩)। তাঁদের দুজনের বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায়। তাঁরা রাঙামাটি শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাথরঘাটা এলাকায় বসবাস করতেন।
মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক তিনজন হলেন মো. মামুনুর রশিদ (৩১), মো. কামাল হোসেন (৩৯) ও মোরশেদ আলম প্রকাশ মুনাফ ড্রাইভার (৩৭)। মামুনুর রশিদের বাড়ি দোয়েল চত্বরের মাতৃমঙ্গল এলাকায়, কামাল হোসেনের বাড়ি তবলছড়ির কর্মচারী কলোনিতে এবং মোরশেদ আলমের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায়; তিনি রাঙামাটির ফিশারিঘাট এলাকায় বসবাস করতেন।
বেসামাল অবস্থায় থাকায় আটক করা হয় লিটন বড়ুয়া (৪৮), বিন্দু চন্দ্র দে (৪৭) ও আব্দুর রহমান প্রকাশ সিহাবকে (৩৫)। লিটন বড়ুয়ার বাড়ি গর্জনতলীতে, বিন্দু চন্দ্র দের স্থায়ী বাড়ি লংগদু উপজেলায় এবং আব্দুর রহমানের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়।
পুলিশ আরও জানায়, বখাটে কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক সাত কিশোরের মধ্যে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কিশোরও রয়েছে। পরে কিশোরদের অভিভাবকেরা তাঁদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে যাচাই-বাছাই শেষে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে কিশোরদের তাঁদের পিতা-মাতার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, ‘পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় পুলিশের একটি আভিযানিক দল এসব অভিযান পরিচালনা করেছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’




