…English
বড়লেখা টুডে লোগো
সব বড় ঘটনার খবর — নিজের ভাষায়, প্রতি ঘণ্টায়
প্রচ্ছদ › অর্থনীতি ও ব্যবসা › খবর
অর্থনীতি ও ব্যবসা

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে নতুন উচ্চতায় জাপান-বাংলাদেশের বিগ-বি, ভারত-প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলল জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে নতুন উচ্চতায় জাপান-বাংলাদেশের বিগ-বি, ভারত-প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলল জামায়াত
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। সফরে জাপান এবং বাংলাদেশের ফ্ল্যাগশিপ এই প্রকল্প নতুন স্তরে উন্নীত হয়েছে। যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে 'বিগ-বি ফর শেয়ারড প্রসপ্যারিটি' বা অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগ-বি উদ্যোগ। কিন্তু এই বিগ-বিকে ঘিরে দুটো বিষয় নিয়ে বিশেষ আলোচনা হচ্ছে। একটি হচ্ছে, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের উল্লেখ এবং এর গুরুত্ব স্বীকার করে নেওয়া।

বিশেষত কানেক্টিভিটির নামে ভারতকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কি-না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। দেশটির প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ঢাকায় এক জনসভায় এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও সরকার জানাচ্ছে, এ ধরনের কোনো উদ্দেশ্য নেই। কিন্তু বিগ-বি উদ্যোগকে ঘিরে বাংলাদেশের মাতারবাড়িতে আসলে কী হচ্ছে? মাতারবাড়ি হচ্ছে বাংলাদেশের সমুদ্রতীরবর্তী কক্সবাজার জেলার একটি ইউনিয়ন।

এই ইউনিয়নে বাংলাদেশ-জাপান প্রথমে একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছিল। সেটাও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ আমলে। সেই সময় চুক্তি হওয়ার পর এর কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। সরাসরি সমুদ্রের তীরে না করে সমুদ্র থেকে ১৪ কিলোমিটার ভেতরে কুতুবদিয়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কাজ শুরু হয়। যেহেতু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লাভিত্তিক, ফলে কেন্দ্রে কয়লা আনা-নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয় নৌ-চ্যানেল। সমুদ্রের তীর থেকে মাটি কেটে সার্বক্ষণিক কয়লা পরিবহনের জন্য ২৫০ মিটার চওড়া এবং ১৪ কিলোমিটার লম্বা চ্যানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

তবে ২০১৭ সালে জাইকা যে প্রাক-সমীক্ষা করে, সেখানে নতুন আরেকটি প্রস্তাব নিয়ে আসে সংস্থাটি। ওই সমীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চ্যানেলের সামান্য পরিবর্তন ঘটিয়ে চ্যানেলের দক্ষিণ দিকে বাণিজ্যিক বন্দর স্থাপন করা সম্ভব। প্রস্তাব করা হয়, যেই চ্যানেলটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, সেই চ্যানেলের ওপরই একটি বাণিজ্যিক বন্দর হতে পারে। একই চ্যানেল ব্যবহার করে দুটি প্রকল্পের কার্যক্রম করা হলে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার যেমন হবে, তেমনই ব্যয় সাশ্রয়ী হবে। পরবর্তীকালে এই প্রস্তাব গ্রহণ করে বাংলাদেশ। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্র শেষপর্যন্ত গিয়ে ঠেকে গভীর সমুদ্র বন্দরে। চ্যানেলের গভীরতা এবং প্রশস্ততাও বাড়ানো হয়।

আর এখন সেই গভীর সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে উৎপাদন ও রফতানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কাজ। 'বিগ-বি'র পূর্ণ নাম হচ্ছে 'বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ ইনিশিয়েটিভ।' এটি বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামকে ঘিরে জাপানের একটি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ পরিকল্পনা। জাপান মাতারবাড়ীতে বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে একটি শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। এ কারণে গভীর সমুদ্রবন্দর ছাড়াও পণ্য সরবরাহের জন্য সেখানকার সার্বিক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন করার পরিকল্পনা নিয়ে প্রায় এক দশক ধরে কাজ করছে দেশটি।

এর আওতায় সেখানে ইতোমধ্যেই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হয়েছে। আরেকটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রও স্থাপন হচ্ছে। এরপর হবে এলএনজি টার্মিনাল, হবে গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্পাঞ্চল। বিগ-বি নিয়ে জাপান-বাংলাদেশ যৌথ ঘোষণায় মূলত চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক, ওই অঞ্চলে কানেক্টিভিটি তৈরি করা, যার মূল ভিত্তি হবে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর। দুই, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়ানো। তিন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ, যার আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ছয় বিলিয়ন ডলারেরও বেশি জাপানি বিনিয়োগ আসবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। চার, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসা, যার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি পাবে বাংলাদেশ। জানতে চাইলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, তারা মূলত বাংলাদেশকে একটি রফতানি হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চান।

তিনি বলেন, মাতারবাড়িতে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে গভীর সমুদ্র বন্দর এবং তাকে কেন্দ্র করে জ্বালানি, লজিস্টিকস, তারপরে অর্থনৈতিক এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা। এখানে আমরা কিন্তু পরিকল্পিত নগরও গড়ছি, যাতে করে এটা একটা গ্লোবাল রফতানির কেন্দ্র হতে পারে। তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করব সেটাকে পূর্ব এশিয়ার দেশ হোক, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার হোক, ভারত মহাসাগরকে কেন্দ্র করে কিংবা আফ্রিকা—সব জায়গায় এটাকে নিয়ে যেতে। বৈশ্বিক রফতানির কেন্দ্র হওয়ার জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, শিল্পকলকারখানা, সমুদ্রবন্দর এবং যোগাযোগব্যবস্থাসহ যা যা অবকাঠামো দরকার, তার সবই করা হচ্ছে মাতারবাড়িতে। এর জন্য যে বিপুল বিনিয়োগ দরকার, সেটাও দেবে মূলত জাপান।

ফলে প্রশ্ন উঠছে, জাপানের আগ্রহ বিশেষত মাতারবাড়িকে ঘিরে যে বিপুল বিনিয়োগ, তাতে বাংলাদেশ শেষপর্যন্ত কতটা লাভবান হবে? বাংলাদেশের একজন অর্থনীতিবিদ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এই প্রকল্পে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে বাংলাদেশের। তিনি বলেন, বলা হচ্ছে যে এখানে প্রায় ষাট থেকে পঁয়ষট্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিনিয়োগ হবে এবং এই বিনিয়োগের মধ্যে আটচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বিলিয়ন ডলারই বেসরকারি বিনিয়োগ হবে। যেই বিনিয়োগগুলো মূলত জাপানি বিনিয়োগকারীরা নিয়ে আসবে।

তাঁর মতে, জাপানি বিনিয়োগের পথ ধরেই উন্নতি হবে অর্থনীতিতে। তিনি বলেন, জাপানের মতো বড় বিনিয়োগকারীরা যদি তাঁদের বিনিয়োগ নিয়ে আসেন তাহলে একই সঙ্গে শুধু তাঁদের পণ্য আসবে না, একই সঙ্গে তাঁদের একটা প্রযুক্তিও আসবে। তিনি আরও বলেন, তখন সেটা আমাদের লোকাল বিনিয়োগকেও আরও বেশি উৎসাহিত করবে জয়েন্ট ভেঞ্চারে যাওয়ার। কারণ এগুলোর সঙ্গে যে সাপ্লাই চেইনগুলো গড়ে উঠবে, সেই সাপ্লাই চেইনগুলো তখন এখানে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে। বলা হচ্ছে, এর ফলে প্রায় আটাশ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে সেই জায়গা জুড়ে। এটা ঘটবে কয়েক দশক ধরে। বাংলাদেশে মাতারবাড়ি প্রকল্পের চুক্তি হয় আওয়ামী লীগ আমলে ২০২৪ সালে। চুক্তিটি হয়েছিল জাপানের সঙ্গে। তখন প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ, ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটানকে মিলিয়ে একটি বৃহৎ বাজারের ধারণাকে মাথায় রেখে এই পরিকল্পনা সামনে নিয়ে এসেছিল জাপান।

২০১৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশের তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের সময় দেশটির তখনকার প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে 'বিগ-বি' ধারণাটি প্রথমে সামনে নিয়ে এসেছিলেন। শিনজো আবে বিগ-বি ধারণাটি সামনে আনার পর ২০১৪ সালের জুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে এই ধারণাটির আনুষ্ঠানিক একটি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন তখনকার জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি বা জাইকার প্রেসিডেন্ট আকিহিকো তানাকা। তিনি বলেছিলেন, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণকে কেন্দ্র করে শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়টি এই ধারণার মূল ভিত্তি। আর এর দ্বিতীয় ভিত্তি হবে জ্বালানি এবং তৃতীয়টি হলো পরিবহন ব্যবস্থা।

অর্থাৎ গভীর সমুদ্র বন্দরটির মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্যের একটি বৈশ্বিক হাব হবে মাতারবাড়ী এবং সেখানকার বিদ্যুৎ দিয়েই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। আর পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হবে প্রতিবেশী দেশগুলো পর্যন্ত। পরে শেখ হাসিনা ঢাকায় মাতারবাড়ীকে নিয়ে বিস্তৃত পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটি তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের একটি বিশেষ পরিকল্পনা হিসেবেও গৃহীত হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে জাপানের তখনকার প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভারত সফরের সময় বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে এই শিল্পাঞ্চলের প্রস্তাব উঠে আসে। অর্থাৎ বিগ-বি উদ্যোগ এবং একে ঘিরে মাতারবাড়ি প্রকল্পে সবসময়ই প্রাসঙ্গিক ছিল ভারত।

কিন্তু এখন ২০২৬ সালে যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি, তখন বিগ-বি উদ্যোগ নতুন উচ্চতায় নিতে সম্মত হয়েছে জাপান-বাংলাদেশ দুই দেশই। অর্থাৎ প্রকল্পের ধারাবাহিকতা আরও জোরদার হয়েছে। যদিও তারেক রহমানের জাপান সফরে যে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেখানে বিগ-বি নিয়ে সরাসরি ভারত বা অন্য কোনো দেশের নাম উল্লেখ নেই। কিন্তু ঘোষণায় কানেক্টিভিটি প্রসঙ্গ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে মাতারবাড়িকে গড়ে তোলার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটাতেই স্পষ্ট এই প্রকল্প শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়। এবং এখানে প্রতিবেশী দেশগুলো বিশেষত ভারত প্রাসঙ্গিক।

ফলে এই প্রকল্পে কানেক্টিভিটির মাধ্যমে ভারতকে সুবিধা দেওয়া হবে, এমন সন্দেহ করছেন কেউ কেউ। আর এই সন্দেহ দেখা যাচ্ছে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে, যেখানে ভারত সবসময়ই একটি স্পর্শকাতর ইস্যু। গত ৩১শে অক্টোবর ঢাকায় এক সমাবেশে ভারতের নাম উল্লেখ না করেই মাতারবাড়ি প্রকল্পে কৌশলে ভারতকে কানেক্টিভিটি দেওয়া হচ্ছে কিনা—সেই প্রশ্ন তুলতে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে। জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাতারবাড়ি গভীর বন্দর নিয়ে কোনো লোকচুরি হচ্ছে কিনা, জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারো কাছে ইজারা দেওয়া চলবে না।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মাতারবাড়িতে কানেক্টিভিটি নিয়ে জামায়াতের যে উদ্বেগ, সেটা ঠিক কী কারণে? এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে দলটির পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, জাপানের সঙ্গে যৌথ ঘোষণা বা যেসব অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে, সেগুলো বিস্তারিত যাচাই-বাছাই করে তাঁরা পরে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করবেন। তবে বিস্তারিত না জানলেও জামায়াতসহ কোনো কোনো রাজনৈতিক দল যে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে, তাতে এটা স্পষ্ট তাঁদের উদ্বেগ মূলত এই প্রকল্পে ভারতের সম্পৃক্ততা বিশেষ করে এর মাধ্যমে ভারত করিডোর বা ট্রান্সশিপমেন্টের সুবিধা পাচ্ছে কিনা, সেটা নিয়ে।

জানতে চাইলে সাবেক কূটনীতিক সাকিব আলী বলেন, বিগ-বির অর্থনৈতিক মডেল চমৎকার। তবে এখানে ভারতের মতো দেশকেও যদি সুবিধা দিতে হয়, তাহলে সেটা করার আগে বাংলাদেশের ভেতরে রাজনৈতিক ঐকমত্য লাগবে। তিনি বলেন, আমাদেরকে বলা হচ্ছে ইন্ডিয়ার সাথে কানেক্টিভিটি করে আমরা একটা একত্রিত বা একীভূত মার্কেট তৈরি করতে পারি কিনা। এই অর্থনৈতিক চিন্তা ভালো চিন্তা। কিন্তু এই চিন্তার আগে যে রাজনৈতিক ঐকমত্য লাগে, সেই রাজনৈতিক ঐকমত্য হয় নাই। আমি মনে করি আগে রাজনৈতিক ঐক্য তৈরি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, যদি রাজনৈতিক ঐকমত্য হয় তাহলে আমরা অর্থনৈতিক একীভূতকরণের দিকে যেতে পারি। আর যদি আমরা রাজনৈতিক সমঝোতা না করি, তাহলে আমি মনে করি আমরা বিরাট সমস্যার মধ্যে পড়বো এবং এটা তখন বাস্তবায়ন হবে না।

অর্থনীতি ও ব্যবসা বিভাগের আরও খবর

বাংলাদেশের ভেতরে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত, দায়িত্ব নিয়ে শর্ত দিল ঢাকা
অর্থনীতি ও ব্যবসা

বাংলাদেশের ভেতরে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত, দায়িত্ব নিয়ে শর্ত দিল ঢাকা

বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের বেসরকারি কনটেইনার ট্রেনে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চায় প্রতিবেশী ভারত। এ জন্য দেশটির বেসরকারি কনটেইনার…

অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করবে ইসলামী ব্যাংক
অর্থনীতি ও ব্যবসা

অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করবে ইসলামী ব্যাংক

শেয়ারবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত মূলধন ৮ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করা…

বড়শি দিয়ে মাছ ধরে স্কলারশিপ ও লাখ টাকার পুরস্কার: আমেরিকায় জনপ্রিয় হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মাছ ধরার প্রতিযোগিতা
অর্থনীতি ও ব্যবসা

বড়শি দিয়ে মাছ ধরে স্কলারশিপ ও লাখ টাকার পুরস্কার: আমেরিকায় জনপ্রিয় হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মাছ ধরার প্রতিযোগিতা

আগস্টের এক শনিবার ভোরে আমেরিকার টেনেসির প্যারিস ল্যান্ডিং স্টেট পার্কের হ্রদে একসঙ্গে ২৫টি নৌকা নামানো হয়। হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত দেশ…

সিলেটে দুধওয়ালায় মিষ্টি কিনে বাংলা কিউআরে দাম দিলেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান
অর্থনীতি ও ব্যবসা

সিলেটে দুধওয়ালায় মিষ্টি কিনে বাংলা কিউআরে দাম দিলেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

সিলেটের পরিচিত মিষ্টি ও দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠান দুধওয়ালার উপশহর এবিসি পয়েন্টের আউটলেটে মিষ্টি কিনে বাংলা কিউআর পদ্ধতিতে দাম পরিশোধ করেছেন ব…