পেগুলার ব্যক্তিগত কথোপকথন সম্প্রচার করায় ক্ষমা চাইল ডব্লিউটিএ
মার্কিন তারকা জেসিকা পেগুলার ব্যক্তিগত কথোপকথন সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ার ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছে নারী টেনিস সংস্থা ডব্লিউটিএ। সংস্থার প্রধান ভ্যালেরি ক্যামিলো শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এই ক্ষমা চান।
ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্ডিয়ান ওয়েলসে অনুশীলন কোর্টে কোচ মার্ক নোলসের সঙ্গে পেগুলার কথোপকথন ডব্লিউটিএর ইউটিউব লাইভস্ট্রিমে সম্প্রচারিত হয়েছিল। কোর্টের পাশের একটি মাইক্রোফোনে ধরা পড়ে সেই কথাবার্তা।
বিশ্বের চার নম্বর খেলোয়াড় পেগুলাকে ওই কথোপকথনে ১৯ বছর বয়সী রুশ প্রতিদ্বন্দ্বী মিরা আন্দ্রিভাকে 'ডিভা' বলে বর্ণনা করতে শোনা যায়। আন্দ্রিভার আচরণ নিয়ে তার কোচ, সাবেক উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন কনচিতা মার্টিনেজ, কিছু বলছেন না বলেও সমালোচনা করেন পেগুলা।
রোববার ডব্লিউটিএ ফাইনালসের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে কথা বলতে গিয়ে ক্যামিলো এই ঘটনার জন্য 'আমাদের নিজস্ব নীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী লাইভস্ট্রিম পরিচালনায় একাধিক ত্রুটি'কে দায়ী করেন।
ক্যামিলো বলেন, 'এই ঘটনাগুলোর জন্য পুরো ডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইতে চাই।'
তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের গোপনীয়তার বিষয়ে ডব্লিউটিএ সংবেদনশীল এবং ভক্তদের খেলার কাছাকাছি আনার সুযোগের সঙ্গে খেলোয়াড়দের নিরাপদ পরিবেশের প্রয়োজন মেটাতে নীতি ও পদ্ধতি রয়েছে। তবে রেকর্ডিং সরঞ্জাম চালু থাকার বিষয়ে আগাম কোনো নোটিশ ও স্পষ্ট সাইনবোর্ড ছিল না।
ক্যামিলো নিশ্চিত করেন, এরপর থেকে অনুশীলন এলাকার সব অডিও রেকর্ডিং সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, অনুশীলন কোর্টে মাইক্রোফোন বসানো হয়েছিল বলের আঘাতের শব্দের মতো 'পরিবেশের শব্দ' ধরার জন্য, খেলোয়াড় ও কোচের কথোপকথন ধরার জন্য নয়। 'সুতরাং স্পষ্টতই আমাদের কারিগরি বাস্তবায়ন ও নজরদারিতে ব্যর্থতা ছিল', বলেন ক্যামিলো।
এরপর তিনি সরাসরি পেগুলা ও নোলসের কাছে ক্ষমা চান। 'আমি বিশেষভাবে জেসিকা পেগুলা ও মার্ক নোলসের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই', বলেন তিনি।
'যা ঘটেছে তা দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। জেস ডব্লিউটিএর সেরা প্রতিনিধি ও সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন। এই বিভ্রান্তি তার প্রাপ্য নয়', বলেন ক্যামিলো।
ডব্লিউটিএ ফাইনালস রোববার শুরু হচ্ছে। শীর্ষ আট নারী একক খেলোয়াড় দুটি রাউন্ড-রবিন গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবেন, তারপর নকআউট পর্বে যাবেন।

