শহীদ জিয়া ছিলেন সৎ মুসলিম শাসকের দৃষ্টান্ত: খোমেনী ইহসান
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্থপতি ছিলেন। তিনি ছিলেন সৎ মুসলিম শাসকের দৃষ্টান্ত।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।
খোমেনী ইহসান বলেন, শহীদ জিয়া কোনো একটি দলের নন। তিনি সব দেশপ্রেমিক জনগণের।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে একাত্তরে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। তবে মুক্তিযুদ্ধ শেষে আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পাইনি। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই আমরা ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়েছিলাম।
তবে সেই শাসনের পতন হলে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার সূচনা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি আধিপত্যবাদবিরোধী মহীয়সী মুসলিম নেত্রী ছিলেন।
তাকে আধিপত্যবাদী ও ফ্যাসিবাদী শক্তি কারাবন্দি করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেন খোমেনী ইহসান। তিনি বলেন, 'তাকে আমরা শহীদ মনে করি। আমরা আজ তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করে দোয়া করেছি। আমাদের দল মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করে। আমরা আদর্শিক কারণে দোয়া করতে মাজারে এসেছি।'
খোমেনী ইহসান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারও শহীদ জিয়া ও শহীদ খালেদা জিয়ার আধিপত্যবাদ-ফ্যাসিবাদবিরোধী নীতি অনুসরণ করবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।
ঘুস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি দমন করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনর্গঠনে অবদান রাখবেন বলেও প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।
মাজার জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সালমান সাকিব, সাকিব সামিন ও জয়নাল আবেদিন এবং বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমান ও সহকারী সদস্য সচিব মো. আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।



