হৃদয়ের ২৪২ রান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ, টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংসের তালিকায় শীর্ষে লারা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তাওহিদ হৃদয়, যা বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টেস্ট ইনিংস।
২০২৬ সালে সিলেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই ইনিংস খেলেন হৃদয়। এই ইনিংসের ফলে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড এখন তাওহিদ হৃদয়ের নামে।
টেস্ট খেলুড়ে অন্য দেশগুলোর সর্বোচ্চ ইনিংসের দিকে তাকালে দেখা যায়, শীর্ষে আছেন ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যান্টিগায় ৪০০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি, যা এখনও টেস্ট ক্রিকেটের বিশ্ব রেকর্ড।
অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেন ২০০৩ সালে পার্থে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩৮০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন, যা সে সময় টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল।
শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ ইনিংসটি মাহেলা জয়াবর্ধনের। ২০০৬ সালে কলম্বোয় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি ৩৭৪ রান করেছিলেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ ইনিংসটি ভিয়ান মুল্ডারের। ২০২৫ সালে জিম্বাবুয়ের মাটিতে তিনি ৩৬৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
ইংল্যান্ডের লেন হাটন ১৯৩৮ সালে অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্য ওভালে ৩৬৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।
পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ইনিংস হানিফ মোহাম্মদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্রিজটাউনে তিনি ৩৩৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।
ভারতের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস বীরেন্দ্র শেবাগের ৩১৯। ২০০৮ সালে চেন্নাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ ৩০২ রান। ২০১৪ সালে ওয়েলিংটনে ভারতের বিপক্ষে এই ইনিংস খেলেছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।
জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ ইনিংস ডেভ হিউটনের। ১৯৯৪ সালে বুলাওয়েতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনি ২৬৬ রান করেছিলেন। আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ ইনিংস হাশমতউল্লাহ শহিদীর ২৪৬, যা তিনি ২০২৪ সালে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছিলেন।
আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ ইনিংস কেভিন ও'ব্রায়েনের ১১৮ রান। ২০১৮ সালে ম্যালাহাইডে পাকিস্তানের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের টেস্ট অভিষেক ম্যাচেই এই ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে আয়ারল্যান্ডের কারোরই এখনও ডাবল সেঞ্চুরি নেই।


