চট্টগ্রামে একদিনের অভিযানে গ্রেপ্তার ১ হাজার ১৫৪ জন

কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ১৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) অভিযানের এ তথ্য রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জ থেকে জানানো হয়।
একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক করা হয়েছে ৫৯৮ জনকে। তাঁদের মধ্যে ৩৯৩ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৬১ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন রয়েছেন।
এ ছাড়া ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৪৮ জন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে ১৮৫ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদকসংক্রান্ত অপরাধে ৭৬ জন মাদকসেবী এবং নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ৫০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। এ ছাড়া ৩৪টি মাদক মামলা করা হয়েছে।
অভিযানে ৩৮ হাজার ১৩৭টি ইয়াবা বড়ি, ২৭ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা, ১০ লিটার চোলাই মদ এবং ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১২৯ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে চাঁদপুরে সর্বোচ্চ ৫৫ জন, কুমিল্লায় ২৬ জন, চট্টগ্রামে ১৫ জন, নোয়াখালীতে ৯ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ জন, লক্ষ্মীপুরে ৭ জন, ফেনীতে ২ জন, রাঙামাটিতে ২ জন, খাগড়াছড়িতে ৬ জন এবং কক্সবাজারে একজন রয়েছেন।
কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে সবচেয়ে বেশি সদস্য আটক হয়েছে কুমিল্লায়। জেলাভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় ২৬৪ জন, চট্টগ্রামে ১১১ জন, লক্ষ্মীপুরে ৫৬ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ জন, চাঁদপুর ও নোয়াখালীতে ২৭ জন করে, কক্সবাজারে ২৬ জন, ফেনীতে ১৩ জন, খাগড়াছড়িতে ১৩ জন, বান্দরবানে ১২ জন এবং রাঙ্গামাটিতে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।


