সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ১১; হবিগঞ্জে ১২ বছর ধরে পরিত্যক্ত ৫০ লাখ টাকার সেতু
সিলেট বিভাগের দুই জেলা থেকে দুই ধরনের খবর এসেছে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)। সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি, তবে নতুন করে ১১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অন্যদিকে হবিগঞ্জে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার খবর স্থানীয় গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
সিলেট ভয়েসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে পাওয়া সর্বশেষ হিসাব বলছে, এক দিনে মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেও নতুন রোগী ভর্তির ধারা থেমে নেই। হাসপাতালে ভর্তি ১১ জন রোগীর বিষয়টি জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
ঋতু বদলের এই সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ সাধারণত বর্ষা-পরবর্তী মাসগুলোতেও থেকে যায়। সিলেটে নতুন রোগী ভর্তির খবর তাই সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাকেই আবার সামনে আনছে, যদিও ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু না হওয়া স্বস্তির দিক।
চিকিৎসকদের সাধারণ পরামর্শ অনুযায়ী জ্বর হলে অবহেলা না করে পরীক্ষা করা, বাসা ও আশপাশে জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়া এবং মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল কথা — সিলেটের বাসিন্দাদের জন্যও এই সতর্কতা সমানভাবে প্রযোজ্য।
অন্যদিকে হবিগঞ্জের ঘটনাটি অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সিলেট ভিউ ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি সেতুটি ১২ বছর ধরে পরিত্যক্ত পড়ে আছে।
একটি সেতু নির্মাণের উদ্দেশ্য থাকে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত সহজ করা। কিন্তু দীর্ঘ এক যুগ ধরে সেটি ব্যবহারের বাইরে থাকায় নির্মাণের সেই উদ্দেশ্যই পূরণ হয়নি বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলেছে।
সরকারি অর্থে তৈরি অবকাঠামো এভাবে বছরের পর বছর পড়ে থাকলে একদিকে যেমন জনদুর্ভোগ থেকে যায়, অন্যদিকে নির্মাণব্যয়ের সুফলও মানুষ পায় না। হবিগঞ্জের এই সেতুর ক্ষেত্রে কেন এমন অবস্থা তৈরি হলো, তা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
সিলেট বিভাগের বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, ডেঙ্গু পরিস্থিতি যেন আর না বাড়ে সেদিকে স্বাস্থ্য বিভাগের নজরদারি অব্যাহত থাকবে, আর হবিগঞ্জের পরিত্যক্ত সেতুটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।
দুটি খবরই বিভাগের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত — একটি জনস্বাস্থ্যের, অন্যটি যাতায়াত ও উন্নয়নের। দুই ক্ষেত্রেই এখন অপেক্ষা কার্যকর উদ্যোগের।




