শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর করতোয়া নদীতে মিলল অটোরিকশাচালকের লাশ

বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর করতোয়া নদী থেকে মো. আসাদুল (২৮) নামের এক অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, তাঁকে গলা কেটে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে রাখা হয়েছিল।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকায় নদীর পূর্ব পাড় থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আসাদুল শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের বাসিন্দা। লাশটি অর্ধগলিত ও চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় প্রথমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি শনাক্ত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন আসাদুল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।
পরদিন রোববার আসাদুলের মা শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেদিনই সদর উপজেলার রায়পুর এলাকায় আসাদুলের অটোরিকশাটি পাওয়া যায়। তবে অটোরিকশাটির ব্যাটারি ছিল না। এতে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।
মঙ্গলবার দুপুরে কয়েকজন কিশোর করতোয়া নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে লাশটি দেখতে পায়। পরে তারা স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, আসাদুলকে হত্যার পর তাঁর লাশ নদীতে ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদিন বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।



