জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যা মামলা: অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ৮ নভেম্বর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ৮ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) আসামিপক্ষকে শেষ বারের মতো সময় দিয়ে ঢাকার ২০তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাজহারুল ইসলাম শুনানির পরবর্তী এই দিন রাখেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ছিল। তবে আসামি বার্জিস শাবনাম বর্ষা ও তার প্রেমিক মো. মাহির রহমানের পক্ষে সময় আবেদন করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, শুনানির জন্য আইনজীবীদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই এবং সিনিয়র আইনজীবীরা দেশের বাইরে আছেন। আদালত শেষ বারের মতো সময় দিয়ে ৮ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
এ মামলার তিন আসামি কারাগারে রয়েছেন। এদিন তাঁদের আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে দুই দফা অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়।
এর আগে গত ৩০ জুন মামলার তদন্ত শেষে বর্ষাসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। তদন্তকারী কর্মকর্তা বংশাল থানার উপপরিদর্শক আশরাফ হোসেন চার্জশিটটি দাখিল করেন। অপর আসামিরা হলেন বর্ষার প্রেমিক মো. মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান। তাঁরা তিনজনই হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে।
চার্জশিট অনুযায়ী, ভিকটিম মো. জোবায়েদ হোসেন (২৫) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১৫তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি টিউশনি করতেন এবং দীর্ঘদিন আসামি বর্ষার বাসায় গৃহশিক্ষক হিসেবে পড়াতেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জোবায়েদ বংশাল থানাধীন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নুর বক্স লেনের ১৫ নম্বর হোল্ডিং রৌশান ভিলায় পড়াতে যান। ওই ভবনের তৃতীয় তলার সিঁড়িতে পরে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ২১ অক্টোবর জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে রাজধানীর বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে ২০ অক্টোবর জোবায়েদকে কুমিল্লার কৃষ্ণপুর গ্রামে দাফন করা হয়।




